ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

শততম ওয়ানডের দ্বারপ্রান্তে লিটন দাস: ধারাবাহিকতার সন্ধানে তারকা ব্যাটার

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনিং ব্যাটার লিটন দাস তার ক্যারিয়ারের শততম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর এই মাইলফলকে পৌঁছাতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ ১১ বছরের বেশি সময়। এই সময়ে বাংলাদেশের জার্সিতে ৩০.৩৩ গড়ে ২৭০০ রান করেছেন লিটন, যার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি সেঞ্চুরি ও ১২টি হাফ সেঞ্চুরি।

প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও লিটন দাস তার ক্যারিয়ারে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারেননি। সম্প্রতি তার ব্যাট থেকে বড় ইনিংসের দেখা মিলছে না। শেষ তিন ইনিংসে চল্লিশোর্ধ্ব রান করলেও কোনো ফিফটির দেখা পাননি। এমনকি শেষ ১৮ ইনিংসে তার ব্যাটে কোনো অর্ধশতক নেই। ওয়ানডেতে তার শেষ সেঞ্চুরিটি এসেছিল ২০২২ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে, অর্থাৎ গত চার বছর ধরে তিনি সেঞ্চুরিবিহীন।

শততম ম্যাচের আগে ছন্দে না থাকা লিটনের কাছে ভক্ত-সমর্থকদের প্রত্যাশা একটি বড় ইনিংস। ৩২ বছর বয়সী এই ব্যাটার মাঠে কতটা জ্বলে উঠতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। লিটনের আগে আরও ১৩ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার ১০০ বা তার বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তাদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম সর্বোচ্চ ২৭৪ ম্যাচ খেলেছেন, এবং পঞ্চপাণ্ডবের বাকি চারজন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ প্রত্যেকে ২০০-এর বেশি ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। লিটন ফিটনেস ধরে রেখে সেই পথেই হাঁটতে পারেন কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় যুবশক্তির ঢাকা মহানগরের চার ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা

শততম ওয়ানডের দ্বারপ্রান্তে লিটন দাস: ধারাবাহিকতার সন্ধানে তারকা ব্যাটার

আপডেট সময় : ১১:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনিং ব্যাটার লিটন দাস তার ক্যারিয়ারের শততম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় রয়েছেন। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর এই মাইলফলকে পৌঁছাতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ ১১ বছরের বেশি সময়। এই সময়ে বাংলাদেশের জার্সিতে ৩০.৩৩ গড়ে ২৭০০ রান করেছেন লিটন, যার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি সেঞ্চুরি ও ১২টি হাফ সেঞ্চুরি।

প্রচুর সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও লিটন দাস তার ক্যারিয়ারে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারেননি। সম্প্রতি তার ব্যাট থেকে বড় ইনিংসের দেখা মিলছে না। শেষ তিন ইনিংসে চল্লিশোর্ধ্ব রান করলেও কোনো ফিফটির দেখা পাননি। এমনকি শেষ ১৮ ইনিংসে তার ব্যাটে কোনো অর্ধশতক নেই। ওয়ানডেতে তার শেষ সেঞ্চুরিটি এসেছিল ২০২২ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে, অর্থাৎ গত চার বছর ধরে তিনি সেঞ্চুরিবিহীন।

শততম ম্যাচের আগে ছন্দে না থাকা লিটনের কাছে ভক্ত-সমর্থকদের প্রত্যাশা একটি বড় ইনিংস। ৩২ বছর বয়সী এই ব্যাটার মাঠে কতটা জ্বলে উঠতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়। লিটনের আগে আরও ১৩ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার ১০০ বা তার বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তাদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম সর্বোচ্চ ২৭৪ ম্যাচ খেলেছেন, এবং পঞ্চপাণ্ডবের বাকি চারজন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ প্রত্যেকে ২০০-এর বেশি ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। লিটন ফিটনেস ধরে রেখে সেই পথেই হাঁটতে পারেন কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।