ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

২০৩০ সালের মধ্যে পোল্ট্রি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য: খামারিদের জন্য বিশেষ কার্ডের ঘোষণা

দেশের পোল্ট্রি শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে পোল্ট্রি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এই খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। রোববার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, সাধারণ কৃষকদের মতো এখন থেকে পোল্ট্রি খামারিদেরও বিশেষ ‘কৃষক কার্ডের’ আওতায় আনা হবে। এর ফলে কৃষিখাতের ন্যায় পোল্ট্রি খামারিরাও সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা ভোগ করতে পারবেন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র খামারিদের সুরক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করায় খামারিরা যে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন, তা কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে পোল্ট্রি খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আমদানিকারকদের সতর্কতা অবলম্বন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি খামারিদের লাভবান করার বিষয়ে জোর দেন বক্তারা। পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশে ফিড, বাচ্চা উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় যাতে ভোক্তা পর্যায়ে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি না হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুক্তি না মানলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

২০৩০ সালের মধ্যে পোল্ট্রি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য: খামারিদের জন্য বিশেষ কার্ডের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশের পোল্ট্রি শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে পোল্ট্রি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে এই খাতের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। রোববার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, সাধারণ কৃষকদের মতো এখন থেকে পোল্ট্রি খামারিদেরও বিশেষ ‘কৃষক কার্ডের’ আওতায় আনা হবে। এর ফলে কৃষিখাতের ন্যায় পোল্ট্রি খামারিরাও সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা ভোগ করতে পারবেন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র খামারিদের সুরক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করায় খামারিরা যে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন, তা কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে পোল্ট্রি খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আমদানিকারকদের সতর্কতা অবলম্বন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে সরাসরি খামারিদের লাভবান করার বিষয়ে জোর দেন বক্তারা। পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশে ফিড, বাচ্চা উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় যাতে ভোক্তা পর্যায়ে অতিরিক্ত চাপের সৃষ্টি না হয়।