স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে—এটি এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। তবে আশার কথা হলো, এই ক্ষতি স্থায়ী নয়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্মার্টফোনের ব্যবহার কমিয়ে আনলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মানসিক সুস্থতা ও মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় দেখা গেছে, টানা দুই সপ্তাহ স্মার্টফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার সীমিত রাখলে মানুষের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের স্ক্রিন টাইম দৈনিক পাঁচ ঘণ্টা থেকে তিন ঘণ্টার নিচে নেমে আসায় তাদের মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, এই উন্নতি এতটাই কার্যকর যে এটি বয়সজনিত মানসিক অবক্ষয় রোধেও সহায়ক হতে পারে।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে যে, ডিজিটাল ডিটক্স বা প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার হতাশা ও দুশ্চিন্তা কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। স্মার্টফোন সবসময় হাতের কাছে থাকায় আমাদের মনোযোগ বারবার বিচ্ছিন্ন হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের সামাজিক সম্পর্ক ও কাজের মান কমিয়ে দেয়। তাই সুস্থ ও সাবলীল জীবনের জন্য স্মার্টফোনের পরিমিত ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রিপোর্টারের নাম 























