ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

রাজশাহীতে ধান ও চালের বাজারে ধস: লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

রাজশাহী অঞ্চলে ধান ও চালের বাজারে আকস্মিক দরপতনে চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা। বাজারে ধানের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে, চালের দাম কমে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষি ও খাদ্য খাতের এই অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদী সংকটের জন্ম দিতে পারে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে প্রতি মণ ধানের দাম ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। রাজশাহীর নওহাটা, মোহনপুর ও বাগমারার বিভিন্ন হাটে ব্রি-২৮ এবং জিরাশাইলের মতো জনপ্রিয় জাতের ধানের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। কৃষকরা জানান, প্রতি মণ ধান উৎপাদনে যেখানে প্রায় ১৫০০ টাকা খরচ হয়েছে, সেখানে বাজারে তা বিক্রি করতে হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায়। এতে অনেক কৃষকই এখন ঋণ পরিশোধ এবং পরবর্তী মৌসুমের চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বাইরের জেলা থেকে পাইকারদের উপস্থিতি কমে গেছে। এছাড়া বিদেশ থেকে চাল আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারে দেশি চালের চাহিদা কমে যাওয়াও এই দরপতনের অন্যতম কারণ। বাজারে ক্রেতা সংকট থাকায় প্রতিযোগিতা কমে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের দামে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

রাজশাহীতে ধান ও চালের বাজারে ধস: লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহী অঞ্চলে ধান ও চালের বাজারে আকস্মিক দরপতনে চরম সংকটে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা। বাজারে ধানের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে, চালের দাম কমে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষি ও খাদ্য খাতের এই অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদী সংকটের জন্ম দিতে পারে।

বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত এক মাসে প্রতি মণ ধানের দাম ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। রাজশাহীর নওহাটা, মোহনপুর ও বাগমারার বিভিন্ন হাটে ব্রি-২৮ এবং জিরাশাইলের মতো জনপ্রিয় জাতের ধানের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। কৃষকরা জানান, প্রতি মণ ধান উৎপাদনে যেখানে প্রায় ১৫০০ টাকা খরচ হয়েছে, সেখানে বাজারে তা বিক্রি করতে হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায়। এতে অনেক কৃষকই এখন ঋণ পরিশোধ এবং পরবর্তী মৌসুমের চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

ব্যবসায়ীদের মতে, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বাইরের জেলা থেকে পাইকারদের উপস্থিতি কমে গেছে। এছাড়া বিদেশ থেকে চাল আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারে দেশি চালের চাহিদা কমে যাওয়াও এই দরপতনের অন্যতম কারণ। বাজারে ক্রেতা সংকট থাকায় প্রতিযোগিতা কমে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের দামে।