মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে উপসাগরীয় দেশগুলো। আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের দেশগুলো।
কুয়েতের মতো রাষ্ট্রগুলো তাদের তেল রপ্তানির জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে এই প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। দেশটির জাতীয় আয়ের সিংহভাগই আসে জ্বালানি খাত থেকে, যা পুরো অঞ্চলের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছে এবং ইরানের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরান, কাতার এবং সৌদি আরবের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের একাধিক টেলিফোন আলাপ হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, উপসাগরীয় দেশগুলো একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি এবং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কমিয়ে আনতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকাকে আরও বেগবান করতে আগামীতে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা দেখা যেতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 



















