ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ওয়াশিংটনে ইসরাইল-লেবানন বৈঠক: কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন?

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য এই আলোচনায় ইসরাইলের পক্ষে দেশটির নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার এবং লেবাননের পক্ষে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদ অংশগ্রহণ করবেন। লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইকেল ইসাও এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।

এই বৈঠকের পূর্বে, সপ্তাহের শেষভাগে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে একটি ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়, যা কূটনীতিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই আলোচনা এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসন বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে অগ্রসর হচ্ছে এবং বৈরুতেও হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ২,০০০ এরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তবে, ইসরাইল জানিয়েছে যে তারা হিজবুল্লাহর সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করবে না। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ লেবাননের সঙ্গে ইসরাইলের সরাসরি আলোচনার বিষয়টিও প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যকার অচলাবস্থা নিরসনে কোনো ভূমিকা রাখে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১১ ইসরাইলি সেনা আহত, আশঙ্কাজনক ৩

ওয়াশিংটনে ইসরাইল-লেবানন বৈঠক: কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন?

আপডেট সময় : ০৭:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক বিরল ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য এই আলোচনায় ইসরাইলের পক্ষে দেশটির নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার এবং লেবাননের পক্ষে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদ অংশগ্রহণ করবেন। লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইকেল ইসাও এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।

এই বৈঠকের পূর্বে, সপ্তাহের শেষভাগে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে একটি ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়, যা কূটনীতিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও একটি নজিরবিহীন ঘটনা। এই আলোচনা এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন লেবাননে ইসরাইলের আগ্রাসন বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। ইসরাইলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে অগ্রসর হচ্ছে এবং বৈরুতেও হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ২,০০০ এরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তবে, ইসরাইল জানিয়েছে যে তারা হিজবুল্লাহর সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করবে না। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ লেবাননের সঙ্গে ইসরাইলের সরাসরি আলোচনার বিষয়টিও প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যকার অচলাবস্থা নিরসনে কোনো ভূমিকা রাখে কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।