ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

তেহরানে হামলায় ৭৭ ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত, তীব্র নিন্দা

ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় অন্তত ৭৭টি ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরানের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ কমিটির সম্পাদক সাজ্জাদ আসঘারি এই ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভবন, প্রাসাদ ও জাদুঘর রয়েছে।

সাজ্জাদ আসঘারি জানান, ক্ষয়ক্ষতির প্রায় ৯০ শতাংশই আংশিক বা সামান্য প্রকৃতির, তবে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অত্যন্ত গুরুতর। ক্ষতিগ্রস্ত ৭৭টি স্থাপনার মধ্যে ৩৮টি জাতীয়ভাবে নিবন্ধিত ঐতিহ্যবাহী স্থান। বাকি ভবনগুলো স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যের কারণে গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ২৭টি স্থাপনা কাজার আমলের।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফারোখাবাদ প্রাসাদ, ইশরাতাবাদ প্রাসাদ, কাহাক মিল, কাসর কারাগার, মার্বেল প্রাসাদের পাথরের গেট, আহমদ রেজা পাহলভি প্রাসাদ এবং রফি নিয়া সিনাগগ হাউস। তেহরানের ঐতিহাসিক সম্পদ রক্ষায় এই ক্ষয়ক্ষতিকে বড় আঘাত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণরায় বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ ২৫ জুলাই

তেহরানে হামলায় ৭৭ ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত, তীব্র নিন্দা

আপডেট সময় : ০১:২৩:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় অন্তত ৭৭টি ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরানের ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ কমিটির সম্পাদক সাজ্জাদ আসঘারি এই ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভবন, প্রাসাদ ও জাদুঘর রয়েছে।

সাজ্জাদ আসঘারি জানান, ক্ষয়ক্ষতির প্রায় ৯০ শতাংশই আংশিক বা সামান্য প্রকৃতির, তবে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অত্যন্ত গুরুতর। ক্ষতিগ্রস্ত ৭৭টি স্থাপনার মধ্যে ৩৮টি জাতীয়ভাবে নিবন্ধিত ঐতিহ্যবাহী স্থান। বাকি ভবনগুলো স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যের কারণে গুরুত্বপূর্ণ। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ২৭টি স্থাপনা কাজার আমলের।

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উল্লেখযোগ্য স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফারোখাবাদ প্রাসাদ, ইশরাতাবাদ প্রাসাদ, কাহাক মিল, কাসর কারাগার, মার্বেল প্রাসাদের পাথরের গেট, আহমদ রেজা পাহলভি প্রাসাদ এবং রফি নিয়া সিনাগগ হাউস। তেহরানের ঐতিহাসিক সম্পদ রক্ষায় এই ক্ষয়ক্ষতিকে বড় আঘাত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।