ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান শুরু

সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবন এলাকায় বনদস্যুদের তৎপরতা নির্মূল করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় ধরনের যৌথ অভিযান শুরু করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ এবং বনবিভাগের সদস্যরা সমন্বিতভাবে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। সুন্দরবনের গহীন অরণ্য এবং বিভিন্ন খালে দস্যুদের সম্ভাব্য আস্তানাগুলো লক্ষ্য করে এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে বনজীবীদের অপহরণ এবং দস্যুদের গুলিতে এক বনজীবী আহত হওয়ার ঘটনার পর এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দস্যুদের পুরোপুরি নির্মূল করাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য।

শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইন অভিযানের বিষয়ে জানান, সুন্দরবন থেকে বনদস্যু পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় বনজীবীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রশাসনের এই সাহসী উদ্যোগে স্থানীয় বনজীবী ও বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান শুরু

আপডেট সময় : ১০:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

সাতক্ষীরার পশ্চিম সুন্দরবন এলাকায় বনদস্যুদের তৎপরতা নির্মূল করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় ধরনের যৌথ অভিযান শুরু করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে উপজেলা প্রশাসন, বিজিবি, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, পুলিশ এবং বনবিভাগের সদস্যরা সমন্বিতভাবে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। সুন্দরবনের গহীন অরণ্য এবং বিভিন্ন খালে দস্যুদের সম্ভাব্য আস্তানাগুলো লক্ষ্য করে এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে বনজীবীদের অপহরণ এবং দস্যুদের গুলিতে এক বনজীবী আহত হওয়ার ঘটনার পর এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দস্যুদের পুরোপুরি নির্মূল করাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য।

শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদ হোসাইন অভিযানের বিষয়ে জানান, সুন্দরবন থেকে বনদস্যু পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় বনজীবীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রশাসনের এই সাহসী উদ্যোগে স্থানীয় বনজীবী ও বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।