তরুণ সমাজকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করতে বিজ্ঞানভিত্তিক, তথ্যনির্ভর এবং টেকসই সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, কিশোর ও তরুণ বয়সে মাদকের প্রতি কৌতূহল ও ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই এই বয়সেই তাদের মধ্যে সঠিক তথ্য সরবরাহ, জীবনদক্ষতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত এক সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাব্সটেন্স ইউজ প্রোফেশনালস (আইস্যাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন যৌথভাবে ‘ইয়ুথ ভয়েস ফর এভিডেন্স বেসড প্রিভেনশন: প্রিভেন্ট, ডোন্ট প্রোমোট’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে বক্তারা উল্লেখ করেন, মাদক কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে না, এটি সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্থিতিশীলতার জন্য এক বিরাট হুমকি। মাদকাসক্তি নিরাময়ে কেবল চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও সহজলভ্য করার আহ্বান জানান তারা। একইসঙ্গে মাদকের সহজলভ্যতা কমাতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত ভূমিকা পালনের ওপর জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকগণ উপস্থিত থেকে তাদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন।
রিপোর্টারের নাম 
























