ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে স্থবির জনজীবন: পাম্পে হাহাকার, ঝুঁকিতে সেচ ও উৎপাদন

সারা দেশে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষক, যানবাহন চালক এবং শিল্পকারখানার মালিকরা। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও চাহিদা অনুযায়ী তেল না পেয়ে অনেক জায়গায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন কৃষি সেচ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বোরো মৌসুমের এই সময়ে ডিজেলের অভাবে সেচ কাজ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন কৃষকরা। প্রতিদিন ভোর থেকে পাম্প ও ডিলারদের দোকানে ভিড় করছেন তারা। ভিড়ের কারণে পুরুষদের পাশাপাশি গৃহবধূদেরও দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না প্রয়োজনীয় ডিজেল। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

একই চিত্র দেখা গেছে ময়মনসিংহের ভালুকায়। সেখানকার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিল্পসমৃদ্ধ এই এলাকায় জ্বালানি সংকটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকরা সামান্য তেলের জন্য এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে স্থবির জনজীবন: পাম্পে হাহাকার, ঝুঁকিতে সেচ ও উৎপাদন

আপডেট সময় : ১২:২৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

সারা দেশে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষক, যানবাহন চালক এবং শিল্পকারখানার মালিকরা। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও চাহিদা অনুযায়ী তেল না পেয়ে অনেক জায়গায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন কৃষি সেচ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। বোরো মৌসুমের এই সময়ে ডিজেলের অভাবে সেচ কাজ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন কৃষকরা। প্রতিদিন ভোর থেকে পাম্প ও ডিলারদের দোকানে ভিড় করছেন তারা। ভিড়ের কারণে পুরুষদের পাশাপাশি গৃহবধূদেরও দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যাচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না প্রয়োজনীয় ডিজেল। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

একই চিত্র দেখা গেছে ময়মনসিংহের ভালুকায়। সেখানকার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিল্পসমৃদ্ধ এই এলাকায় জ্বালানি সংকটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকরা সামান্য তেলের জন্য এক পাম্প থেকে অন্য পাম্পে ছুটছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।