ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

অধিকৃত পশ্চিম তীরে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে ইসরাইল, বাড়ছে উত্তেজনা

ইসরাইলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে একটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির পর এই প্রথমবার ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পূর্ণ বেসামরিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনো এলাকায় ইসরাইল এমন স্থাপনা তৈরি করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নতুন এই ঘাঁটির উদ্দেশ্য হলো জেনিন শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দাদের বাড়িঘর থেকে নিরাপদে সরিয়ে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করা। ঘাঁটিটি জেনিন শরণার্থী শিবিরের কাছেই তৈরি করা হবে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ইসরাইলি বাহিনী এই এলাকায় বারবার অভিযান চালিয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এই সামরিক ঘাঁটিটি ইসরাইলের অভিযানকে আরও সহজ করতে এবং নিকটবর্তী ইসরাইলি বসতিগুলোকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহৃত হবে। ইসরাইলের এই পদক্ষেপে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজেটে বিশেষ সুবিধা: ১৫ শতাংশ কর দিয়ে বৈধ করা যাবে কালো টাকা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে ইসরাইল, বাড়ছে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ১১:৩৭:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ইসরাইলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে একটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির পর এই প্রথমবার ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পূর্ণ বেসামরিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনো এলাকায় ইসরাইল এমন স্থাপনা তৈরি করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নতুন এই ঘাঁটির উদ্দেশ্য হলো জেনিন শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দাদের বাড়িঘর থেকে নিরাপদে সরিয়ে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করা। ঘাঁটিটি জেনিন শরণার্থী শিবিরের কাছেই তৈরি করা হবে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ইসরাইলি বাহিনী এই এলাকায় বারবার অভিযান চালিয়েছে, যার ফলে হাজার হাজার বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এই সামরিক ঘাঁটিটি ইসরাইলের অভিযানকে আরও সহজ করতে এবং নিকটবর্তী ইসরাইলি বসতিগুলোকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহৃত হবে। ইসরাইলের এই পদক্ষেপে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।