মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইন বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের মোট তেল মজুতের প্রায় ৫২ শতাংশ এই অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় এখানকার যেকোনো সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ইরান একাই বিশ্বের মোট তেলের ১১.৮২ শতাংশের মালিক এবং প্রতিদিন বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি সরবরাহ করা হয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত ছাড়িয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে উৎপাদন খরচ ও পণ্য পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীগুলো লোহিত সাগর বা সুয়েজ খালের মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো বাধাগ্রস্ত করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। সুয়েজ খাল দিয়ে বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























