ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে শিবির নেতাদের পায়ে গুলি: সাবেক এসপিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ২০ এপ্রিল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে দুই ছাত্রশিবির নেতাকে আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নাটক সাজিয়ে পায়ে গুলি করার মামলায় তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বেঞ্চ আগামী ২০ এপ্রিল এই আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গ্রেপ্তার তিন আসামি তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও জহরুল হককে এদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, এই ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে না এবং এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অন্যদিকে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম যুক্তি দেন যে, তৎকালীন সময়ে দেশজুড়ে পরিকল্পিতভাবে ভিন্নমতাবলম্বীদের তুলে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যার যে ধারা তৈরি হয়েছিল, এই ঘটনাটি তারই অংশ।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছায় রুহুল আমিন ও ইসরাফিল নামের দুই ছাত্রনেতাকে আটকের পর পুলিশ হেফাজতে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমানের নির্দেশে তাদের পায়ে গুলি করা হয় এবং ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো নৃশংসতা চালানো হয়। এই মামলায় এসপিসহ পাঁচজন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কার ইস্যুতে দলের অবস্থানের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

যশোরে শিবির নেতাদের পায়ে গুলি: সাবেক এসপিসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ২০ এপ্রিল

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে দুই ছাত্রশিবির নেতাকে আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নাটক সাজিয়ে পায়ে গুলি করার মামলায় তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন ধার্য করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বেঞ্চ আগামী ২০ এপ্রিল এই আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গ্রেপ্তার তিন আসামি তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও জহরুল হককে এদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, এই ঘটনাটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে না এবং এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অন্যদিকে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম যুক্তি দেন যে, তৎকালীন সময়ে দেশজুড়ে পরিকল্পিতভাবে ভিন্নমতাবলম্বীদের তুলে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যার যে ধারা তৈরি হয়েছিল, এই ঘটনাটি তারই অংশ।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছায় রুহুল আমিন ও ইসরাফিল নামের দুই ছাত্রনেতাকে আটকের পর পুলিশ হেফাজতে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমানের নির্দেশে তাদের পায়ে গুলি করা হয় এবং ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো নৃশংসতা চালানো হয়। এই মামলায় এসপিসহ পাঁচজন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।