ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক: ৮৪টি বাঁক ও ১১ রেলক্রসিংয়ে বিপন্ন জনজীবন

লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত বিস্তৃত ১০০ কিলোমিটারের মহাসড়কটি বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ পথে রয়েছে ছোট-বড় ৮৪টি বিপজ্জনক বাঁক এবং ১১টি রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং। ত্রুটিপূর্ণ নকশা আর অপ্রশস্ততার কারণে এই সড়কটি এখন ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। গত ১৫ মাসে এখানে অন্তত ৭০টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অর্ধশত মানুষ, আর পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন শতাধিক। জাতীয় মানদণ্ড অনুযায়ী সড়কটি ১০.৩ মিটার প্রশস্ত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা ৫.৫ মিটারেরও কম, যা ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে সংযোগকারী এই বাণিজ্যসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক ও বাস চলাচল করে। ঘন ঘন রেলক্রসিংয়ের কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়, যা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের মতে, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করা এবং বিপজ্জনক বাঁকগুলো সংস্কার করা জরুরি। আধুনিক রেলক্রসিং স্থাপন এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা না গেলে এই পথে প্রাণহানির ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে গণভোটের রায় ও অধ্যাদেশ পুনর্বহালের দাবি

লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক: ৮৪টি বাঁক ও ১১ রেলক্রসিংয়ে বিপন্ন জনজীবন

আপডেট সময় : ১০:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারী পর্যন্ত বিস্তৃত ১০০ কিলোমিটারের মহাসড়কটি বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ পথে রয়েছে ছোট-বড় ৮৪টি বিপজ্জনক বাঁক এবং ১১টি রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং। ত্রুটিপূর্ণ নকশা আর অপ্রশস্ততার কারণে এই সড়কটি এখন ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। গত ১৫ মাসে এখানে অন্তত ৭০টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অর্ধশত মানুষ, আর পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন শতাধিক। জাতীয় মানদণ্ড অনুযায়ী সড়কটি ১০.৩ মিটার প্রশস্ত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা ৫.৫ মিটারেরও কম, যা ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে সংযোগকারী এই বাণিজ্যসড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক ও বাস চলাচল করে। ঘন ঘন রেলক্রসিংয়ের কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়, যা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের মতে, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করা এবং বিপজ্জনক বাঁকগুলো সংস্কার করা জরুরি। আধুনিক রেলক্রসিং স্থাপন এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা না গেলে এই পথে প্রাণহানির ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।