ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সরকারের এই মহাপরিকল্পনার কথা জানান। সচিব জানান, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৪ থেকে ৮ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সরকার এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে সরকারি মালিকানাধীন পতিত জমি, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকাগুলো ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব প্রকল্পে বড় আকারের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও উৎসাহিত করা হবে। প্রয়োজনে বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধন এবং নতুন আইন প্রণয়ন করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

সৌরবিদ্যুতের পাশাপাশি জৈবগ্যাস ও বায়ুশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি সংকট মেটানোর ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা হবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নামী প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে কোটি টাকা আত্মসাৎ: সিআইডির জালে প্রতারক চক্রের সদস্য

২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

আপডেট সময় : ১০:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সরকারের এই মহাপরিকল্পনার কথা জানান। সচিব জানান, এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৪ থেকে ৮ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সরকার এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে সরকারি মালিকানাধীন পতিত জমি, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকাগুলো ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব প্রকল্পে বড় আকারের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও উৎসাহিত করা হবে। প্রয়োজনে বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধন এবং নতুন আইন প্রণয়ন করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে বলে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

সৌরবিদ্যুতের পাশাপাশি জৈবগ্যাস ও বায়ুশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানি সংকট মেটানোর ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা হবে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।