ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি খাল ভরাট করে মাছের খামার: কৃষকদের দুশ্চিন্তা

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় সরকারি খাল ভরাট করে এবং আঞ্চলিক সড়কের জমি অবৈধভাবে খনন করে মাছের খামার তৈরির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ছোট বারইহাটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় কৃষকরা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, বাশিয়া গ্রাম থেকে শুরু হওয়া প্রায় কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ বৌমরা খালটি টাংগাব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম হয়ে সুতিয়া নদীতে পতিত হয়েছে। এই খালটি শুকলাইন নামেও পরিচিত। এলাকার প্রায় সহস্রাধিক কৃষকের ফসলি জমির পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম এই খাল। এছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে এর পানি সেচ কাজে ব্যবহৃত হয়। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় আ. লীগ কর্মী আবুল কাশেম ওরফে ভেকু কাশেম নামের এক ব্যক্তি এক্সকাভেটর ব্যবহার করে খালটি ভরাট করে ফেলেছেন।

কেবল খাল ভরাট করেই ক্ষান্ত হননি তিনি, বরং গফরগাঁও-বরমী আঞ্চলিক সড়কের জমি দখল করে গভীর পুকুর খনন করেছেন। ভরাট করা খালটিকে পুকুরের পাড় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ভুক্তভোগী কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, আবুল কাশেম খালের অন্তত ২০০ ফুট পর্যন্ত ভরাট করে দখল করেছেন এবং তাদের প্রায় ১০ শতাংশ জমিও দখল করেছেন। এছাড়াও অধিগ্রহণ করা সড়কের জমি দখল করে ৩০ ফুট গভীর পুকুর খনন করায় সড়কটি ধসে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। খাল দুটি ভরাট হওয়ায় হাজার হাজার কৃষকের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে গণভোটের রায় ও অধ্যাদেশ পুনর্বহালের দাবি

সরকারি খাল ভরাট করে মাছের খামার: কৃষকদের দুশ্চিন্তা

আপডেট সময় : ০৮:৫২:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় সরকারি খাল ভরাট করে এবং আঞ্চলিক সড়কের জমি অবৈধভাবে খনন করে মাছের খামার তৈরির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ছোট বারইহাটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় কৃষকরা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, বাশিয়া গ্রাম থেকে শুরু হওয়া প্রায় কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ বৌমরা খালটি টাংগাব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম হয়ে সুতিয়া নদীতে পতিত হয়েছে। এই খালটি শুকলাইন নামেও পরিচিত। এলাকার প্রায় সহস্রাধিক কৃষকের ফসলি জমির পানি নিষ্কাশনের প্রধান মাধ্যম এই খাল। এছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে এর পানি সেচ কাজে ব্যবহৃত হয়। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় আ. লীগ কর্মী আবুল কাশেম ওরফে ভেকু কাশেম নামের এক ব্যক্তি এক্সকাভেটর ব্যবহার করে খালটি ভরাট করে ফেলেছেন।

কেবল খাল ভরাট করেই ক্ষান্ত হননি তিনি, বরং গফরগাঁও-বরমী আঞ্চলিক সড়কের জমি দখল করে গভীর পুকুর খনন করেছেন। ভরাট করা খালটিকে পুকুরের পাড় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ভুক্তভোগী কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, আবুল কাশেম খালের অন্তত ২০০ ফুট পর্যন্ত ভরাট করে দখল করেছেন এবং তাদের প্রায় ১০ শতাংশ জমিও দখল করেছেন। এছাড়াও অধিগ্রহণ করা সড়কের জমি দখল করে ৩০ ফুট গভীর পুকুর খনন করায় সড়কটি ধসে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। খাল দুটি ভরাট হওয়ায় হাজার হাজার কৃষকের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।