লক্ষ্মীপুর শহরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভে পুলিশের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শহরের চকবাজার মসজিদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। একই সময় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ‘জুলাই ফাইটার্স’ ব্যানারে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল করে। শহরের চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যা আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় এবং ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শনিবার রাতে লক্ষ্মীপুর শহরের হাসপাতাল রোডে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লক্ষ্মীপুর শাখার কর্মী হাবিবুর রহমান ফাহিম ও জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক আকবর হোসেন মুন্নার মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়ায়। এর প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা রোববার বিকেল ৫টায় চকবাজার মসজিদের সামনে থেকে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেয়। একই সময়ে ওইস্থানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ‘জুলাই ফাইটার্স’ ব্যানারে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেয়। এই প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ১৪৪ ধারা জারি করে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা বিক্ষোভ করার চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূখ্য সংগঠক সাইফুল ইসলাম মুরাদ এবং ওসি সহ ১০ জন আহত হন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম বলেন, ছাত্রদলের কোনো কর্মসূচি ছিল না। ‘জুলাই ফাইটার্স’-এর প্রোগ্রাম ছিল। জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক মো. আরমান হোসেন বলেন, তাদের সদস্য হাবিবুর রহমান ফাহিমের উপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেখানে ছাত্রদল ‘জুলাই ফাইটার্স’ নামে পাল্টা কর্মসূচি দেয়। প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করতে গেলে পুলিশ লাঠিপেটা করে এবং তাদের লোকজন আহত হয়। তিনি এ হামলার তীব্র নিন্দা জানান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 























