টাইব্রেকারের শেষ শটে গোল করে রোনান সুলিভান বাংলাদেশকে এনে দিয়েছেন এক স্মরণীয় ট্রফি। ১২ নম্বর জার্সিধারী এই তরুণ ফুটবলার তার শান্ত ও স্থির মেজাজ এবং অসীম আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পানেনকা শটে গোলটি করেন। তার এই শটই টুর্নামেন্টের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। রোনান সুলিভানকে এই টুর্নামেন্টে আবিষ্কার করা এক বড় সম্পদ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
পুরো টুর্নামেন্টে রোনান সুলিভানের পারফরম্যান্স এতটাই উজ্জ্বল ছিল যে, অনেকেই মনে করছেন প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট বা মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ারের পুরস্কার তার প্রাপ্য ছিল। যদিও এই পুরস্কার ভারতের স্ট্রাইকার উমাং দোদুমকে দেওয়া হয়েছে, যিনি টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ তিন গোল এবং দুটি অ্যাসিস্ট সহ মোট পাঁচটি গোলে অবদান রেখেছেন। তবে ফাইনালে টাইব্রেকারে তার মিস করা শটটি অনেকের কাছেই এই পুরস্কারের ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
রোনান সুলিভানের পারফরম্যান্স ভারতীয় স্ট্রাইকারের চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না। তার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো, তার নেওয়া পেনাল্টি শটেই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট জিতেছে। এত বড় স্নায়ুচাপের মুখেও ঠান্ডা মাথায় পানেনকা শট নেওয়া রোনানের ম্যাচুরিটি প্রশংসার যোগ্য। তিনি বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ এবং ফরোয়ার্ড লাইনে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত বহন করেন।
ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটি ছিল অনেকটা দাবা খেলার মতো কৌশলপূর্ণ। বাংলাদেশ প্রথমার্ধে দুটি ভালো সুযোগ পেয়েছিল। রোনান সুলিভানের একটি ফ্রি কিক থেকে মিঠু চৌধুরীর হেড বাইরে চলে যায়, যা গোল হলে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারত। এছাড়া মোহাম্মদ মানিকের দারুণ কাট ইন থেকেও একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 
























