ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পাবনায় ফের উগ্রপন্থি স্লোগান ও দেয়াললিখন: জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ

দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে পাবনার আতাইকুলাসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় হঠাৎ করেই নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠনগুলোর স্লোগান সংবলিত দেয়াললিখন ও পোস্টার দেখা গেছে। ‘সর্বহারা এক হও’ কিংবা ‘বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস’—এমন সব পুরনো স্লোগান নতুন করে জনমনে অতীতের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর স্মৃতি ও আতঙ্ক জাগিয়ে তুলছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ‘পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল)’ একটি বিচ্ছিন্ন অংশ বা ‘লাল পতাকা’ গোষ্ঠী নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে রাতের আঁধারে এসব তৎপরতা চালাচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র মহড়া বা প্রকাশ্য সমাবেশের খবর পাওয়া যায়নি, তবে এই গোপন প্রচারণা স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি হতে পারে কোনো পুরনো সংগঠনের পুনর্গঠনের চেষ্টা অথবা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার কোনো অপকৌশল।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশক থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত পাবনা, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল চরমপন্থি সহিংসতার চারণভূমি ছিল। সে সময় চাঁদাবাজি, অপহরণ ও টার্গেট কিলিংয়ের মতো ঘটনায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে দীর্ঘদিন পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও নতুন করে এই দেয়াললিখনগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক অস্ত্র না বানানোর ২০ বছরের প্রস্তাব ইরানের: দাবি ট্রাম্পের

পাবনায় ফের উগ্রপন্থি স্লোগান ও দেয়াললিখন: জনমনে বাড়ছে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০১:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে পাবনার আতাইকুলাসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় হঠাৎ করেই নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠনগুলোর স্লোগান সংবলিত দেয়াললিখন ও পোস্টার দেখা গেছে। ‘সর্বহারা এক হও’ কিংবা ‘বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস’—এমন সব পুরনো স্লোগান নতুন করে জনমনে অতীতের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর স্মৃতি ও আতঙ্ক জাগিয়ে তুলছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ‘পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল)’ একটি বিচ্ছিন্ন অংশ বা ‘লাল পতাকা’ গোষ্ঠী নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে রাতের আঁধারে এসব তৎপরতা চালাচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র মহড়া বা প্রকাশ্য সমাবেশের খবর পাওয়া যায়নি, তবে এই গোপন প্রচারণা স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি হতে পারে কোনো পুরনো সংগঠনের পুনর্গঠনের চেষ্টা অথবা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার কোনো অপকৌশল।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশক থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত পাবনা, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল চরমপন্থি সহিংসতার চারণভূমি ছিল। সে সময় চাঁদাবাজি, অপহরণ ও টার্গেট কিলিংয়ের মতো ঘটনায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের ফলে দীর্ঘদিন পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও নতুন করে এই দেয়াললিখনগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।