ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মেঘনায় জাটকা নিধনের দায়ে ৩৮ জেলে আটক, ১৫ জনের কারাদণ্ড

চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা শিকারের অভিযোগে ৩৮ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে সাহেবগঞ্জ এলাকায় এক বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে ১৫ জন জেলেকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৩ জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে মানবিক কারণে এবং বয়স বিবেচনায় ১০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক জেলেকে কোনো সাজা ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের অধিকাংশের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া এলাকায়।

মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, হাইমচর এলাকাটি ইলিশের প্রজনন ও বিচরণের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। জাটকা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলার সময়সূচি: টিভির পর্দায় আজ যেসব খেলা দেখবেন

মেঘনায় জাটকা নিধনের দায়ে ৩৮ জেলে আটক, ১৫ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:১১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদপুরের হাইমচরে মেঘনা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা শিকারের অভিযোগে ৩৮ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে সাহেবগঞ্জ এলাকায় এক বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে ১৫ জন জেলেকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৩ জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তবে মানবিক কারণে এবং বয়স বিবেচনায় ১০ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক জেলেকে কোনো সাজা ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের অধিকাংশের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া এলাকায়।

মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, হাইমচর এলাকাটি ইলিশের প্রজনন ও বিচরণের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। জাটকা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।