ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল রাজধানী, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাপপ্রবাহ অব্যাহত

চৈত্রের খরতাপ আর ভ্যাপসা গরমে সারা দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও রাজশাহী বিভাগসহ ২৭টি জেলায় বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ। একইসঙ্গে রাজধানীতেও ক্রমেই তাপমাত্রা বাড়ছে, যা নগরজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী রোববার নাগাদ এ অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া চলতি মাসে দুই থেকে চারটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং একটি বা দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ হতে পারে, সে সময় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় তাপপ্রবাহের পরিধি কিছুটা বেড়ে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দুটি বিভাগসহ ২৭টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার তাপপ্রবাহ ছিল ১৭টি জেলায়।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলো ছাড়াও টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়তে পারে। তবে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের তুলনায় এবার তাপপ্রবাহ কিছুটা কম থাকতে পারে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালে টানা ২৬ দিন এবং ২০২৩ সালে ২২ দিন দেশে তাপপ্রবাহ ছিল। তবে এবার তাপপ্রবাহ বয়ে গেলেও ওই দুই বছরের মতো তীব্রতা থাকবে না, কারণ এবার তাপপ্রবাহের সঙ্গে সঙ্গে মাঝেমধ্যে বৃষ্টিও হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী দুদিনে তাপমাত্রা আরো বেড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এবং তা আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে, সারা দেশে দিন-রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। গত কয়েকদিনের রেকর্ডকৃত তাপমাত্রা পর্যালোচনায় দেখা যায়, দিনের তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তবে রাজধানীতেও তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে; শুক্রবার এখানে সর্বোচ্চ ছিল ৩৬ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পহেলা বৈশাখে মেট্রোরেলের শাহবাগ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকছে

ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল রাজধানী, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তাপপ্রবাহ অব্যাহত

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

চৈত্রের খরতাপ আর ভ্যাপসা গরমে সারা দেশের মানুষ অতিষ্ঠ। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা ও রাজশাহী বিভাগসহ ২৭টি জেলায় বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ। একইসঙ্গে রাজধানীতেও ক্রমেই তাপমাত্রা বাড়ছে, যা নগরজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী রোববার নাগাদ এ অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া চলতি মাসে দুই থেকে চারটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং একটি বা দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ হতে পারে, সে সময় তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় তাপপ্রবাহের পরিধি কিছুটা বেড়ে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের দুটি বিভাগসহ ২৭টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার তাপপ্রবাহ ছিল ১৭টি জেলায়।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলো ছাড়াও টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়তে পারে। তবে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের তুলনায় এবার তাপপ্রবাহ কিছুটা কম থাকতে পারে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালে টানা ২৬ দিন এবং ২০২৩ সালে ২২ দিন দেশে তাপপ্রবাহ ছিল। তবে এবার তাপপ্রবাহ বয়ে গেলেও ওই দুই বছরের মতো তীব্রতা থাকবে না, কারণ এবার তাপপ্রবাহের সঙ্গে সঙ্গে মাঝেমধ্যে বৃষ্টিও হবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী দুদিনে তাপমাত্রা আরো বেড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এবং তা আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে, সারা দেশে দিন-রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। গত কয়েকদিনের রেকর্ডকৃত তাপমাত্রা পর্যালোচনায় দেখা যায়, দিনের তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। শুক্রবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তবে রাজধানীতেও তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছে; শুক্রবার এখানে সর্বোচ্চ ছিল ৩৬ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস।