ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরানকে ‘পাথর যুগে’ ফেরানোর হুমকিকে যুদ্ধাপরাধের ইঙ্গিত হিসেবে আখ্যায়িত করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানকে ‘পাথর যুগে ফিরিয়ে নেওয়ার’ হুমকিকে ‘ব্যাপক যুদ্ধাপরাধের ইঙ্গিত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের বক্তব্য ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করে, যা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ফিনিশ সমকক্ষ, যিনি একজন আইনজ্ঞ, তাকে এ বিষয়টি নিয়েই প্রশ্ন করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন বহু উদাহরণ রয়েছে, যেখানে অপরাধের বিরুদ্ধে নীরব থাকার জন্য বড় মূল্য দিতে হয়েছে।’

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান মনে করেন, ট্রাম্পের এই হুমকি কেবল একটি বিবৃতি নয়, বরং এটি এমন এক অভিপ্রায় প্রকাশ করে যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ এবং এটি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে। তিনি এই ধরনের বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে কঠোরভাবে মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কূটনীতির মাধ্যমে ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয়েছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

ইরানকে ‘পাথর যুগে’ ফেরানোর হুমকিকে যুদ্ধাপরাধের ইঙ্গিত হিসেবে আখ্যায়িত করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

আপডেট সময় : ০৯:২৩:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানকে ‘পাথর যুগে ফিরিয়ে নেওয়ার’ হুমকিকে ‘ব্যাপক যুদ্ধাপরাধের ইঙ্গিত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের বক্তব্য ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর অভিপ্রায় প্রকাশ করে, যা আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ফিনিশ সমকক্ষ, যিনি একজন আইনজ্ঞ, তাকে এ বিষয়টি নিয়েই প্রশ্ন করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাসে এমন বহু উদাহরণ রয়েছে, যেখানে অপরাধের বিরুদ্ধে নীরব থাকার জন্য বড় মূল্য দিতে হয়েছে।’

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান মনে করেন, ট্রাম্পের এই হুমকি কেবল একটি বিবৃতি নয়, বরং এটি এমন এক অভিপ্রায় প্রকাশ করে যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ এবং এটি যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে। তিনি এই ধরনের বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে কঠোরভাবে মোকাবিলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।