ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

অধ্যাদেশ অনুমোদন প্রক্রিয়া: বিচারপতি নিয়োগসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা ফিরছে সরকারের হাতে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ বর্তমান অধিবেশনে অনুমোদিত হচ্ছে না। এর মধ্যে বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা, গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো রয়েছে। এই অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হবে অথবা পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে নতুন বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে।

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা এসব অধ্যাদেশ সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ১৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

বিশেষ কমিটি একাধিক বৈঠক শেষে তাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে। তবে, বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা ২০টি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ এবং এখনই পাসের বিরোধিতা করে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী, কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পায়। এই নিয়মানুসারে, যে ২০টি অধ্যাদেশ এখনই অনুমোদিত হচ্ছে না, সেগুলোর কার্যকারিতা আগামী ১০ এপ্রিলের পর শেষ হয়ে যাবে।

অন্যদিকে, পাসের সুপারিশ করা ১১৩টি অধ্যাদেশ আগামী সোমবার থেকে পর্যায়ক্রমে সংসদে উত্থাপন করা হবে। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে এই বিলগুলো সংসদে পাস হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, যে ২০টি অধ্যাদেশ এখনই অনুমোদন পাচ্ছে না, সেগুলোর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

অধ্যাদেশ অনুমোদন প্রক্রিয়া: বিচারপতি নিয়োগসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা ফিরছে সরকারের হাতে

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ বর্তমান অধিবেশনে অনুমোদিত হচ্ছে না। এর মধ্যে বিচারপতি নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা, গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো রয়েছে। এই অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হবে অথবা পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে নতুন বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে।

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা এসব অধ্যাদেশ সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ১৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

বিশেষ কমিটি একাধিক বৈঠক শেষে তাদের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করে। তবে, বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা ২০টি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ এবং এখনই পাসের বিরোধিতা করে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী, কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পায়। এই নিয়মানুসারে, যে ২০টি অধ্যাদেশ এখনই অনুমোদিত হচ্ছে না, সেগুলোর কার্যকারিতা আগামী ১০ এপ্রিলের পর শেষ হয়ে যাবে।

অন্যদিকে, পাসের সুপারিশ করা ১১৩টি অধ্যাদেশ আগামী সোমবার থেকে পর্যায়ক্রমে সংসদে উত্থাপন করা হবে। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে এই বিলগুলো সংসদে পাস হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, যে ২০টি অধ্যাদেশ এখনই অনুমোদন পাচ্ছে না, সেগুলোর বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।