কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত অর্ধশত নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌর সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন চিকিৎসার জন্য এসেছেন এবং এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
ঘটনা শোনার পরপরই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূপম দাস ও থানার ওসি এসএম আরিফুর রহমান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে এসে আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইমরান, সাদেক, মানছু মিয়া, জয়, খুশনাহার, আসমা, মুনতাজ উদ্দিন, শরিফ, কাওসার, জিহাদ, বাবুল মিয়া, মিলন, সিয়াম, সুমা, রিনা, কিসমত, শিপন, লোকমান হোসেন, সাখাওয়াত, ইমরান, বিজয়, স্বপন মিয়া, হারুন অর রশীদ, পলাশ, আকিব আলম, সুমিত, লাবণ্য, সানজিদা, রফিকুল ইসলাম, সাদেক, রইছ উদ্দিন সহ আরো অনেকে।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ আহতের আক্রান্ত হওয়া স্থান থেকে রক্ত ঝরছে। কেউ বাইরে বসে আক্রান্ত স্থানে সাবান ও পানি দিয়ে ধৌত করছেন, আবার কেউ জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালে আহত ও স্বজনদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূর-এ-আলম খান জানান, সন্ধ্যার পর থেকে এক ঘণ্টায় ৩০ জন পাগলা কুকুরের কামড়ের শিকার হয়েছেন এবং তারা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতের মধ্যে যাদের অবস্থা গুরুতর তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, যেভাবে লোকজন আসছেন, তাতে মনে হচ্ছে আহতের সংখ্যা অর্ধশতর বেশি হবে। হাসপাতালে যে ভ্যাকসিন ছিল তা শেষ হয়ে গেছে, অনেকেই বাইরে থেকে কিনে পুশ করছেন। কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে একসঙ্গে এত রোগী আর কখনো আসেনি। পাকুন্দিয়ার ইউএনও রূপম দাস বলেন, পাগলা কুকুরে অনেক মানুষকে কামড়িয়েছে শুনে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ছুটে গিয়ে তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং পাগলা কুকুর দমনে কী করা যায়, সে দিকটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























