ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

৫৪ বছর পর চাঁদের পথে নতুন অভিযাত্রা: সফলভাবে পাড়ি দিল আর্টেমিস-২

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে মানুষ। দীর্ঘ ৫৪ বছরের বিরতি কাটিয়ে বুধবার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে নাসার শক্তিশালী রকেটে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছেন চার নভোচারী। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হয়। এতে তিনজন মার্কিন এবং একজন কানাডিয়ান নভোচারী রয়েছেন।

আর্টেমিস-২ মিশনে অংশ নেওয়া চার সদস্যের দলে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিড উইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কক এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। উৎক্ষেপণের মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত হাজারো মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বহু বছরের প্রতীক্ষা, বাজেট জটিলতা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এই মাইলফলক অর্জিত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এই মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন যুগের সূচনা হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রায় ১০ দিনের এই মিশনে নভোচারীরা সরাসরি চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবেন না, বরং উপগ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করে ফিরে আসবেন। অভিযানের প্রাথমিক পর্যায়ে মহাকাশযানটির নিরাপত্তা ও যান্ত্রিক সক্ষমতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া ডকিং সিমুলেশনের মাধ্যমে যানটির ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে, যা ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী চন্দ্র অভিযানের পথ সুগম করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জমির মালিকের ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ করের প্রস্তাব, আবাসন খাতে নতুন অনিশ্চয়তা

৫৪ বছর পর চাঁদের পথে নতুন অভিযাত্রা: সফলভাবে পাড়ি দিল আর্টেমিস-২

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে মানুষ। দীর্ঘ ৫৪ বছরের বিরতি কাটিয়ে বুধবার ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে নাসার শক্তিশালী রকেটে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছেন চার নভোচারী। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হয়। এতে তিনজন মার্কিন এবং একজন কানাডিয়ান নভোচারী রয়েছেন।

আর্টেমিস-২ মিশনে অংশ নেওয়া চার সদস্যের দলে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিড উইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কক এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন। উৎক্ষেপণের মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত হাজারো মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বহু বছরের প্রতীক্ষা, বাজেট জটিলতা ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এই মাইলফলক অর্জিত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এই মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন যুগের সূচনা হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রায় ১০ দিনের এই মিশনে নভোচারীরা সরাসরি চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবেন না, বরং উপগ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করে ফিরে আসবেন। অভিযানের প্রাথমিক পর্যায়ে মহাকাশযানটির নিরাপত্তা ও যান্ত্রিক সক্ষমতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া ডকিং সিমুলেশনের মাধ্যমে যানটির ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে, যা ভবিষ্যতে দীর্ঘস্থায়ী চন্দ্র অভিযানের পথ সুগম করবে।