ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি রাশিয়ার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চল এখন পুরোপুরি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর বিশেষ ইউনিটগুলো লুহানস্ককে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হাত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে।

লুহানস্কের পাশাপাশি খারকিভ প্রদেশের ভারখানিয়া পিসারিভকা এবং জাপোরিঝিয়ার বোইকোভে গ্রামও রুশ বাহিনী দখলে নিয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক নিয়ে গঠিত বৃহত্তর দনবাস অঞ্চলের প্রায় পুরো অংশই এখন রাশিয়ার দখলে। ২০২২ সালে এই অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।

এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ইউক্রেনকে পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি যদি দনবাস থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতেন, তবে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ অনেক আগেই শেষ হতে পারত।

অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়া আগামী দুই মাসের মধ্যে দনবাসের অবশিষ্ট অংশ দখলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেন কূটনৈতিক সমাধান চায়, তবে যেকোনো যুদ্ধবিরতি অবশ্যই বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থানের ভিত্তিতে হতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ২২ দেশের সম্মিলিত নিন্দা, অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান

ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি রাশিয়ার

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ইউক্রেনের লুহানস্ক অঞ্চল এখন পুরোপুরি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর বিশেষ ইউনিটগুলো লুহানস্ককে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হাত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করেছে।

লুহানস্কের পাশাপাশি খারকিভ প্রদেশের ভারখানিয়া পিসারিভকা এবং জাপোরিঝিয়ার বোইকোভে গ্রামও রুশ বাহিনী দখলে নিয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক নিয়ে গঠিত বৃহত্তর দনবাস অঞ্চলের প্রায় পুরো অংশই এখন রাশিয়ার দখলে। ২০২২ সালে এই অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।

এদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ইউক্রেনকে পুরো দোনেৎস্ক অঞ্চল ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি যদি দনবাস থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতেন, তবে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ অনেক আগেই শেষ হতে পারত।

অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়া আগামী দুই মাসের মধ্যে দনবাসের অবশিষ্ট অংশ দখলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ইউক্রেন কূটনৈতিক সমাধান চায়, তবে যেকোনো যুদ্ধবিরতি অবশ্যই বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থানের ভিত্তিতে হতে হবে।