ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ মহাসচিবের মধ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ফোনে আলোচনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সম্প্রতি এক টেলিফোনিক আলাপে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি এবং সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য কার্যকরী কৌশল নির্ধারণ। উভয় নেতাই আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর চলমান প্রভাব এবং উত্তেজনা প্রশমনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্বের উপর জোর দেন।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে তারা বহুপাক্ষীয় সংলাপ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গভীর মতবিনিময় করেন। এই আলোচনা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর সহযোগিতার তাৎপর্যকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ২২ দেশের সম্মিলিত নিন্দা, অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ মহাসচিবের মধ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ফোনে আলোচনা

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সম্প্রতি এক টেলিফোনিক আলাপে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি এবং সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য কার্যকরী কৌশল নির্ধারণ। উভয় নেতাই আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর চলমান প্রভাব এবং উত্তেজনা প্রশমনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্বের উপর জোর দেন।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে তারা বহুপাক্ষীয় সংলাপ এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গভীর মতবিনিময় করেন। এই আলোচনা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকার পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর সহযোগিতার তাৎপর্যকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।