ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

জ্বালানি মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি: উখিয়ার ৩ ফিলিং স্টেশনে ২.৩৫ লাখ টাকা জরিমানা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় জ্বালানি তেল মজুত রেখে ‘তেল নেই’ এমন বার্তা প্রদর্শন করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে তিনটি ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলায় মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পাম্পগুলোর ট্যাগ অফিসার, বিএসটিআই প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে কুতুপালং এলাকার মেসার্স চৌধুরী ফিলিং স্টেশন লিমিটেড প্রতি ১০ লিটার জ্বালানিতে প্রায় ৩০০ মিলিলিটার কম দেওয়ায় ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে পালংখালী এলাকার “ইউসুফ অ্যান্ড ব্রাদার্স” ফিলিং স্টেশন অতিরিক্ত ৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুত রেখে তথ্য গোপন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনে।

এছাড়াও, মরিচ্যা এলাকার মেসার্স চৌধুরী ফিলিং স্টেশন লিমিটেড অতিরিক্ত জ্বালানি মজুত এবং মিটার রিডিংয়ে ত্রুটি থাকার অভিযোগে দুটি পৃথক মামলায় মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তা অধিকার রক্ষা এবং জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ইউএনও রিফাত আসমা জানান, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, তেল মজুত করে ‘তেল নেই’ দেখানো এবং মাপে কম দেওয়ার মতো অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সঠিক তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ২২ দেশের সম্মিলিত নিন্দা, অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান

জ্বালানি মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি: উখিয়ার ৩ ফিলিং স্টেশনে ২.৩৫ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় জ্বালানি তেল মজুত রেখে ‘তেল নেই’ এমন বার্তা প্রদর্শন করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগে তিনটি ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এই ঘটনায় চারটি পৃথক মামলায় মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েমের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, পাম্পগুলোর ট্যাগ অফিসার, বিএসটিআই প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে কুতুপালং এলাকার মেসার্স চৌধুরী ফিলিং স্টেশন লিমিটেড প্রতি ১০ লিটার জ্বালানিতে প্রায় ৩০০ মিলিলিটার কম দেওয়ায় ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরবর্তীতে পালংখালী এলাকার “ইউসুফ অ্যান্ড ব্রাদার্স” ফিলিং স্টেশন অতিরিক্ত ৫ হাজার লিটার ডিজেল মজুত রেখে তথ্য গোপন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গুনে।

এছাড়াও, মরিচ্যা এলাকার মেসার্স চৌধুরী ফিলিং স্টেশন লিমিটেড অতিরিক্ত জ্বালানি মজুত এবং মিটার রিডিংয়ে ত্রুটি থাকার অভিযোগে দুটি পৃথক মামলায় মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তা অধিকার রক্ষা এবং জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ইউএনও রিফাত আসমা জানান, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, তেল মজুত করে ‘তেল নেই’ দেখানো এবং মাপে কম দেওয়ার মতো অনিয়ম কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে সঠিক তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন।