ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা চায় না যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল: রাশিয়ার অভিযোগ

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভ অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমন ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী নয়। বরং তাদের কৌশল হলো এই অঞ্চলটিতে অস্থিরতা বজায় রেখে নিজেদের বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক ও জ্বালানি স্বার্থ চরিতার্থ করা।

তিনি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ব্যাপারে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে কোনো প্রকৃত আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। ল্যাভরভের দাবি, এই দুটি দেশ এমন নীতি অনুসরণ করছে যা সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনাকে জিইয়ে রাখছে।

রাশিয়ার এই শীর্ষ কূটনীতিক আরও মন্তব্য করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পেছনে ‘রেজিম পরিবর্তনের’ একটি সুস্পষ্ট প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার মতে, বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন বা সরকার বদলের প্রচেষ্টা মূলত তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর কৌশলের অংশ। এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই দুর্বল করছে না, বরং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও বাড়িয়ে তুলছে।

ল্যাভরভ সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ইতোমধ্যে একাধিক দেশকে জড়িয়ে ফেলেছে এবং এতে নতুন করে শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার মতে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটলে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা চায় না যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল: রাশিয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভ অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমন ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী নয়। বরং তাদের কৌশল হলো এই অঞ্চলটিতে অস্থিরতা বজায় রেখে নিজেদের বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক ও জ্বালানি স্বার্থ চরিতার্থ করা।

তিনি রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ব্যাপারে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের মধ্যে কোনো প্রকৃত আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। ল্যাভরভের দাবি, এই দুটি দেশ এমন নীতি অনুসরণ করছে যা সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনাকে জিইয়ে রাখছে।

রাশিয়ার এই শীর্ষ কূটনীতিক আরও মন্তব্য করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পেছনে ‘রেজিম পরিবর্তনের’ একটি সুস্পষ্ট প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তার মতে, বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন বা সরকার বদলের প্রচেষ্টা মূলত তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর কৌশলের অংশ। এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই দুর্বল করছে না, বরং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও বাড়িয়ে তুলছে।

ল্যাভরভ সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ইতোমধ্যে একাধিক দেশকে জড়িয়ে ফেলেছে এবং এতে নতুন করে শক্তির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার মতে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটলে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।