ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের ব্যয়ভার বহন করতে উপসাগরীয় মিত্রদের কাছে অর্থ চাইতে পারেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ এবং ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের ব্যয় মেটাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে পারেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন। কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) যুদ্ধ ব্যয়ের একটি বড় অংশ বহন করবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এ ধরনের আহ্বান জানাতে আগ্রহী হতে পারেন। আমি তার আগে কিছু বলতে চাই না। তবে ধারণা করা যায়, তার কাছ থেকে শিগগিরই এ বিষয়ে কিছু শুনতে পাবেন।’

১৯৯০-৯১ সালের প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়ও এই দেশগুলো যুদ্ধ ব্যয়ের বড় অংশ বহন করেছিল। সাদ্দাম হোসেনের কুয়েত আক্রমণের পর ওই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল এবং তখন জাপানের মতো দেশগুলোও এতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক জোট সে সময় ইরাককে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল।

বর্তমান সংঘাতটি যুক্তরাষ্ট্র শুরু করলেও উপসাগরীয় দেশগুলো প্রথম থেকেই এতে কিছুটা অনীহা দেখিয়েছে। তাদের আশঙ্কা ছিল, ইরানের পাল্টা হামলার ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির বড় বোঝা তাদেরই বহন করতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, ইতিমধ্যেই এই দেশগুলো বড় ধরনের রাজস্ব ও অবকাঠামোগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

লেভিট আরও জানান, গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ১১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত না মানে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র ও খার্গ দ্বীপ ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের ব্যয়ভার বহন করতে উপসাগরীয় মিত্রদের কাছে অর্থ চাইতে পারেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধ এবং ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের ব্যয় মেটাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে পারেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন। কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) যুদ্ধ ব্যয়ের একটি বড় অংশ বহন করবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এ ধরনের আহ্বান জানাতে আগ্রহী হতে পারেন। আমি তার আগে কিছু বলতে চাই না। তবে ধারণা করা যায়, তার কাছ থেকে শিগগিরই এ বিষয়ে কিছু শুনতে পাবেন।’

১৯৯০-৯১ সালের প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের সময়ও এই দেশগুলো যুদ্ধ ব্যয়ের বড় অংশ বহন করেছিল। সাদ্দাম হোসেনের কুয়েত আক্রমণের পর ওই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল এবং তখন জাপানের মতো দেশগুলোও এতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক জোট সে সময় ইরাককে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল।

বর্তমান সংঘাতটি যুক্তরাষ্ট্র শুরু করলেও উপসাগরীয় দেশগুলো প্রথম থেকেই এতে কিছুটা অনীহা দেখিয়েছে। তাদের আশঙ্কা ছিল, ইরানের পাল্টা হামলার ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির বড় বোঝা তাদেরই বহন করতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, ইতিমধ্যেই এই দেশগুলো বড় ধরনের রাজস্ব ও অবকাঠামোগত ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

লেভিট আরও জানান, গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ১১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত না মানে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র ও খার্গ দ্বীপ ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।