ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

মার্চে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, প্রবাসী আয় ছাড়ালো সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার

দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ধারা অব্যাহতভাবে শক্তিশালী হচ্ছে। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ৩০ দিনে দেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩.৬২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ। এর আগে গত বছরের মার্চে এই রেকর্ডটি ছিল ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ব্যাংকারদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বরাবরই বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের প্রধান উৎস। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে যুদ্ধজনিত অনিশ্চয়তা এবং রমজান ও ঈদ-উল-ফিতরের মতো উৎসবকে কেন্দ্র করে পারিবারিক ব্যয় মেটানোর তাগিদ—এই দুই কারণই রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। অনেকেই এই সময়ে নিজেদের সঞ্চিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, চলতি মাসের ৩০ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৬২.২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৭০ শতাংশ বেশি। গত বছর এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২৭.২০ কোটি ডলার। সামগ্রিকভাবে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট ২,৬০৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯.৮০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২,১৭৬ কোটি ডলার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতন্ত্র ও আওয়ামী লীগ একসাথে চলেনি: মির্জা ফখরুল

মার্চে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, প্রবাসী আয় ছাড়ালো সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ধারা অব্যাহতভাবে শক্তিশালী হচ্ছে। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ৩০ দিনে দেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩.৬২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ। এর আগে গত বছরের মার্চে এই রেকর্ডটি ছিল ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ব্যাংকারদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বরাবরই বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের প্রধান উৎস। সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে যুদ্ধজনিত অনিশ্চয়তা এবং রমজান ও ঈদ-উল-ফিতরের মতো উৎসবকে কেন্দ্র করে পারিবারিক ব্যয় মেটানোর তাগিদ—এই দুই কারণই রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। অনেকেই এই সময়ে নিজেদের সঞ্চিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও চাঙ্গা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, চলতি মাসের ৩০ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৬২.২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৭০ শতাংশ বেশি। গত বছর এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২৭.২০ কোটি ডলার। সামগ্রিকভাবে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট ২,৬০৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯.৮০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২,১৭৬ কোটি ডলার।