ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

ইন্টেরিয়র মিস্ত্রী হত্যা: নাসিক মেয়র আইভীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর

ইন্টেরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশ তাঁকে এই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছিল। সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এই মামলায় আইভীর জামিন আবেদন এটি দ্বিতীয়বারের মতো নামঞ্জুর হলো। এর আগে গত ৫ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুনও আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, মামলার এজাহারে আইভীর নাম উল্লেখ নেই। তিনি অভিযোগ করেন যে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনগড়াভাবে এবং হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আইভীকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন। তাঁদের জামিন আবেদন আদালতে নামঞ্জুর হওয়ায় তাঁরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি মামলায় ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৩০ জুন কৃষক ওয়াজেদ আলী বাদি হয়ে ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই চিটাগাং রোড এলাকায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের নিচতলায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাংকের ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনের কাজে নিয়োজিত সেলিম মন্ডলসহ তিন শ্রমিক আগুনে পুড়ে মারা যান।

উল্লেখ্য, এর আগে বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলাসহ সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জামিন পেয়েছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী।

গত বছরের ৯ মে ভোর রাতে শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এছাড়াও, গত বছরের নভেম্বর মাসে হাইকোর্ট ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পাঁচটি মামলায় জামিন দিয়েছিলেন, যা পরে আপিল বিভাগে স্থগিত হয়ে যায়। এরপরে, ১৮ নভেম্বর তাঁকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা ও সদর থানায় দায়ের করা আরও পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শরিফুলের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন: তপ্ত গরমে কিউইদের নাভিশ্বাস

ইন্টেরিয়র মিস্ত্রী হত্যা: নাসিক মেয়র আইভীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর

আপডেট সময় : ০৬:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

ইন্টেরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। পুলিশ তাঁকে এই মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছিল। সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু শামীম আজাদ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এই মামলায় আইভীর জামিন আবেদন এটি দ্বিতীয়বারের মতো নামঞ্জুর হলো। এর আগে গত ৫ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুনও আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছিলেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, মামলার এজাহারে আইভীর নাম উল্লেখ নেই। তিনি অভিযোগ করেন যে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনগড়াভাবে এবং হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আইভীকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন। তাঁদের জামিন আবেদন আদালতে নামঞ্জুর হওয়ায় তাঁরা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি মামলায় ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৩০ জুন কৃষক ওয়াজেদ আলী বাদি হয়ে ইন্টিরিয়র মিস্ত্রী সেলিম মন্ডলকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই চিটাগাং রোড এলাকায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের নিচতলায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাংকের ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনের কাজে নিয়োজিত সেলিম মন্ডলসহ তিন শ্রমিক আগুনে পুড়ে মারা যান।

উল্লেখ্য, এর আগে বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলাসহ সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে জামিন পেয়েছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী।

গত বছরের ৯ মে ভোর রাতে শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এছাড়াও, গত বছরের নভেম্বর মাসে হাইকোর্ট ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পাঁচটি মামলায় জামিন দিয়েছিলেন, যা পরে আপিল বিভাগে স্থগিত হয়ে যায়। এরপরে, ১৮ নভেম্বর তাঁকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা ও সদর থানায় দায়ের করা আরও পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল।