ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

জামালপুরে স্ত্রী সুজানা আক্তারকে হত্যার দায়ে স্বামী আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১। সোমবার সকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বেলুয়ারচরের মো. আমজলের পুত্র আমিনুল ইসলাম বকশীগঞ্জ উপজেলার টালিয়াপাড়ার সুরুজ মিয়ার কন্যা সুজানা আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের সময় যৌতুক গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে আমিনুল ইসলাম আরও ২০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে ২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল তার স্ত্রী সুজানাকে শারীরিক নির্যাতন করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সুজানাকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে পরদিন তিনি মারা যান। এই ঘটনায় নিহতের পিতা সুরুজ মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডসহ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। আদালত এই জরিমানার অর্থ নিহতের বাবা ও মাকে প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গরু নিলাম ঘিরে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের হাতাহাতি, অভিযোগ দায়ের

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:২০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

জামালপুরে স্ত্রী সুজানা আক্তারকে হত্যার দায়ে স্বামী আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১। সোমবার সকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বেলুয়ারচরের মো. আমজলের পুত্র আমিনুল ইসলাম বকশীগঞ্জ উপজেলার টালিয়াপাড়ার সুরুজ মিয়ার কন্যা সুজানা আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের সময় যৌতুক গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে আমিনুল ইসলাম আরও ২০ হাজার টাকা যৌতুকের দাবিতে ২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল তার স্ত্রী সুজানাকে শারীরিক নির্যাতন করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সুজানাকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে পরদিন তিনি মারা যান। এই ঘটনায় নিহতের পিতা সুরুজ মিয়া বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি আমিনুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডসহ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। আদালত এই জরিমানার অর্থ নিহতের বাবা ও মাকে প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে।