ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে নিখোঁজ কিশোরের গলাকাটা লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নিখোঁজের দুই দিন পর জুনায়েদ মিয়া (১৪) নামের এক কিশোরের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন। রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৮টার দিকে স্থানীয়রা বাদেআলীসা গ্রামের কামারপাড়া এলাকায় একটি পতিত জমিতে লাশটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহত জুনায়েদ মিয়া উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের আলীসারকুল গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মো. রমিজ মিয়ার ছোট ছেলে এবং সাতগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং ঘটনাটি উপজেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় জুনায়েদ বাড়ির পাশে রাস্তায় বসে মোবাইলে গেম খেলছিল। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। রোববার রাতে অবশেষে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ভাই জুবায়েদ মিয়া জানান, রোববার দুপুর ১২টার দিকে তার মোবাইল ফোনে একটি অজ্ঞাত আইডি থেকে হুমকিমূলক বার্তা আসে। বার্তায় জুনায়েদকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। মেসেজের স্ক্রিনশট নিয়ে থানায় জানানো হলেও পুলিশ বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে রাত ৮টার দিকে আরেকটি বার্তা আসে যেখানে পালানোর কথা উল্লেখ করা হয়। এরপর তারা নিখোঁজ জুনায়েদের লাশ খুঁজে পান।

নিহতের আত্মীয় রবিন আহমেদ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, নিখোঁজের দিন জিডি করতে গেলে পুলিশ তাদের অপেক্ষা করতে বলে। পরের দিন জিডি করার পরও পুলিশ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বা জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শরিফুলের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন: তপ্ত গরমে কিউইদের নাভিশ্বাস

শ্রীমঙ্গলে নিখোঁজ কিশোরের গলাকাটা লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০১:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নিখোঁজের দুই দিন পর জুনায়েদ মিয়া (১৪) নামের এক কিশোরের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন। রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৮টার দিকে স্থানীয়রা বাদেআলীসা গ্রামের কামারপাড়া এলাকায় একটি পতিত জমিতে লাশটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহত জুনায়েদ মিয়া উপজেলার ভূনবীর ইউনিয়নের আলীসারকুল গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মো. রমিজ মিয়ার ছোট ছেলে এবং সাতগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং ঘটনাটি উপজেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় জুনায়েদ বাড়ির পাশে রাস্তায় বসে মোবাইলে গেম খেলছিল। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। রোববার রাতে অবশেষে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের ভাই জুবায়েদ মিয়া জানান, রোববার দুপুর ১২টার দিকে তার মোবাইল ফোনে একটি অজ্ঞাত আইডি থেকে হুমকিমূলক বার্তা আসে। বার্তায় জুনায়েদকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। মেসেজের স্ক্রিনশট নিয়ে থানায় জানানো হলেও পুলিশ বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। পরে রাত ৮টার দিকে আরেকটি বার্তা আসে যেখানে পালানোর কথা উল্লেখ করা হয়। এরপর তারা নিখোঁজ জুনায়েদের লাশ খুঁজে পান।

নিহতের আত্মীয় রবিন আহমেদ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, নিখোঁজের দিন জিডি করতে গেলে পুলিশ তাদের অপেক্ষা করতে বলে। পরের দিন জিডি করার পরও পুলিশ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বা জিজ্ঞাসাবাদ করেনি।