বন্যা বিপর্যস্ত পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটা অঞ্চল পরিদর্শনে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন দুই বিজেপি নেতা। তারা হলেন—মালদহ উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় খগেন মুর্মুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন। সাংসদকে এইমসে নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।
সোমবার নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিজেপির বিধায়ক-সাংসদ তাদের গাড়িতে বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শন করতে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আচমকা হামলা চালায়। শঙ্কর ঘোষ একটি ভিডিও সামনে এনেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, খগেন মুর্মু রক্তাক্ত অবস্থায় গাড়ির মধ্যে বসে রয়েছেন। রক্তে তাঁর পাঞ্জাবি ভিজে যাচ্ছে এবং গাড়ির পুরো কাচ ভেঙে গিয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, হামলার মুখে পড়ে যখন কোনোক্রমে সাংসদ ও বিধায়ক বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় দুষ্কৃতীরা তাদের পিছন দিক থেকে হামলা করে।
এই ঘটনার পরপরই নাগরাকাটায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তিনি ঘটনার নিন্দা জানান।
মঙ্গলবার ওই এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বন্যা বিধ্বস্ত এলাকায় যাবেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপি নেতাদের আক্রান্ত হওয়ার এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। সাংবাদিক বৈঠক করে নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্পিকার ওম বিড়লা ও রাজ্যপালকে নালিশ জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
রিপোর্টারের নাম 






















