দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও পাচার রোধে রাজশাহীতে ফিলিং স্টেশন ও ডিপোগুলোতে নজরদারি শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার থেকে জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ১২টি পেট্রোল পাম্পে বিজিবি’র রাজশাহী-১ ব্যাটালিয়ন নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।
মহানগরীর শিরোইল কলোনির যমুনা অয়েল ডিপোর সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী ব্যাটালিয়নের (১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাজশাহীতে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার তিনটি অয়েল ডিপো এবং জেলায় ১২টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম শুরু করেছে বিজিবি। এমনকি সীমান্তবর্তী পদ্মার চরেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনোভাবেই জ্বালানি তেল ভারতে পাচার হতে না পারে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার আরও জানান, ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তিনটি ডিপোতে তিন প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ডিপোগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
তিনি উল্লেখ করেন, ভারতে বাংলাদেশের চেয়ে জ্বালানি তেলের দাম বেশি হওয়ায় একটি অসাধু চক্র বিদ্যমান বিশ্ব পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে জ্বালানি তেল মজুদ করছে এবং অধিক মূল্যে বিক্রির আশায় সীমান্ত দিয়ে তা পাচারের চেষ্টা করছে। এই কারণে সীমান্তেও বিজিবি’র নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবি’র এই কর্মকর্তা যোগ করেন, দেশের এই সংকটকালে নজরদারির পাশাপাশি রাজশাহীর স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতা করছে বিজিবি।
রিপোর্টারের নাম 
























