উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ পথে গ্রিস যাত্রা করতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে এক মর্মান্তিক নৌকাডুবির ঘটনায় ১৮ জনের প্রাণহানি হলেও অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের যুবক আবদুল কাদির। বর্তমানে তিনি গ্রিসের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবদুল কাদির দেওঘর ইউনিয়নের পশ্চিম সাভিয়ানগর গ্রামের আবুল হোসেন ও আম্বিয়া দম্পতির সন্তান। দালাল তুষারের মাধ্যমে গ্রিস যাওয়ার চুক্তি করেছিলেন তিনি। ২০ লাখ টাকার চুক্তির মধ্যে ১২ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি টাকা গ্রিসে পৌঁছানোর পর দেওয়ার কথা ছিল। প্রায় ছয় মাস আগে কাদিরকে লিबिया নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে অমানবিক জীবন যাপনের পর গত ১৭ রমজান তাকে ‘ডাংকির ঘাটে’ নেওয়া হয়। সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার সময় তাদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। রবিবার সকালে ছেলের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার পর পরিবারের সদস্যরা আশ্বস্ত হয়েছেন। কাদিরের তিন বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে দেওঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আক্তার হোসেন জানান, কাদিরের জীবিত উদ্ধারের খবর পেয়ে তিনি তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























