ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জে ১৪ কোটির বর্জ্য শোধনাগার এখন ময়লার ভাগাড়, গিলে খাচ্ছে পরিবেশ

কিশোরগঞ্জ শহরের পরিবেশ রক্ষায় নেওয়া প্রায় ১৪ কোটি টাকার আধুনিক বর্জ্য শোধনাগার প্রকল্পটি এখন নিজেই ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে। ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই স্যানিটারি ল্যান্ডফিলটি তিন বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হলেও আজ পর্যন্ত চালু করা সম্ভব হয়নি। উল্টো প্রকল্পের চারপাশে যত্রতত্র ময়লা ফেলায় দূষিত হচ্ছে বাতাস এবং নষ্ট হচ্ছে কৃষিজমি ও জলাশয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত এই প্রকল্পে অত্যাধুনিক পাম্প ও ফিল্টার থাকলেও অযত্নে সেগুলো নষ্ট হতে চলেছে। পৌরসভা থেকে প্রতিদিন ট্রাকভরে ময়লা এনে মহাসড়কের পাশেই ফেলা হচ্ছে, যা প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আধুনিক ব্যবস্থার সুফল পাওয়ার বদলে তারা এখন চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

পৌর প্রশাসক জানিয়েছেন, পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করার জটিলতায় প্রকল্পটি বর্তমানে অকেজো। এটি পুনরায় সচল করতে বড় অংকের অর্থের প্রয়োজন। তবে জনস্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ: মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিয়ে উদ্বেগ

কিশোরগঞ্জে ১৪ কোটির বর্জ্য শোধনাগার এখন ময়লার ভাগাড়, গিলে খাচ্ছে পরিবেশ

আপডেট সময় : ০৩:১২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

কিশোরগঞ্জ শহরের পরিবেশ রক্ষায় নেওয়া প্রায় ১৪ কোটি টাকার আধুনিক বর্জ্য শোধনাগার প্রকল্পটি এখন নিজেই ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে। ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই স্যানিটারি ল্যান্ডফিলটি তিন বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হলেও আজ পর্যন্ত চালু করা সম্ভব হয়নি। উল্টো প্রকল্পের চারপাশে যত্রতত্র ময়লা ফেলায় দূষিত হচ্ছে বাতাস এবং নষ্ট হচ্ছে কৃষিজমি ও জলাশয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত এই প্রকল্পে অত্যাধুনিক পাম্প ও ফিল্টার থাকলেও অযত্নে সেগুলো নষ্ট হতে চলেছে। পৌরসভা থেকে প্রতিদিন ট্রাকভরে ময়লা এনে মহাসড়কের পাশেই ফেলা হচ্ছে, যা প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আধুনিক ব্যবস্থার সুফল পাওয়ার বদলে তারা এখন চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

পৌর প্রশাসক জানিয়েছেন, পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করার জটিলতায় প্রকল্পটি বর্তমানে অকেজো। এটি পুনরায় সচল করতে বড় অংকের অর্থের প্রয়োজন। তবে জনস্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।