ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: সুনামগঞ্জের ১২ জনসহ ১৮ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু

লিবিয়া থেকে সাগরপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে বড় ধরনের এক নৌকাডুবির ঘটনায় ১৮ জন বাংলাদেশিসহ অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রচণ্ড শীত এবং চরম অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে গত শুক্রবার গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের অদূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গ্রিক কোস্টগার্ডের সহায়তায় ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকিদের রক্ষা করা যায়নি।

নিহত ১৮ জন বাংলাদেশির মধ্যে ১২ জনই সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। এদের মধ্যে দিরাই উপজেলার ৬ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার একজন রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দিরাই উপজেলার নুরুজ্জামান সরদার ময়না, সাজিদুর রহমান, শাহান মিয়া, মুজিবুর রহমান ও মো. সুহানুর রহমানের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া তায়েফ মিয়া নামে একজন নিখোঁজ রয়েছেন, যাকে মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে। জগন্নাথপুর ও দোয়ারাবাজারের নিহতদের মধ্যেও বেশ কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, উন্নত জীবনের আশায় দিরাইয়ের এক দালালের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করে তারা ইউরোপের পথে রওনা হয়েছিলেন। নিরাপদ নৌযানে পার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও শেষ মুহূর্তে তাদের অত্যন্ত ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় তুলে দেওয়া হয়। এই অবহেলা এবং পাচারকারীদের প্রতারণাই এতগুলো প্রাণের অকাল মৃত্যুর কারণ হিসেবে দেখছেন স্বজনরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে গৃহবধূ হত্যায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: সুনামগঞ্জের ১২ জনসহ ১৮ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

লিবিয়া থেকে সাগরপথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে বড় ধরনের এক নৌকাডুবির ঘটনায় ১৮ জন বাংলাদেশিসহ অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। প্রচণ্ড শীত এবং চরম অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে গত শুক্রবার গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের অদূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গ্রিক কোস্টগার্ডের সহায়তায় ২৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকিদের রক্ষা করা যায়নি।

নিহত ১৮ জন বাংলাদেশির মধ্যে ১২ জনই সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। এদের মধ্যে দিরাই উপজেলার ৬ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার একজন রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দিরাই উপজেলার নুরুজ্জামান সরদার ময়না, সাজিদুর রহমান, শাহান মিয়া, মুজিবুর রহমান ও মো. সুহানুর রহমানের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া তায়েফ মিয়া নামে একজন নিখোঁজ রয়েছেন, যাকে মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে। জগন্নাথপুর ও দোয়ারাবাজারের নিহতদের মধ্যেও বেশ কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, উন্নত জীবনের আশায় দিরাইয়ের এক দালালের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করে তারা ইউরোপের পথে রওনা হয়েছিলেন। নিরাপদ নৌযানে পার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও শেষ মুহূর্তে তাদের অত্যন্ত ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় তুলে দেওয়া হয়। এই অবহেলা এবং পাচারকারীদের প্রতারণাই এতগুলো প্রাণের অকাল মৃত্যুর কারণ হিসেবে দেখছেন স্বজনরা।