ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে কঠোর উপসাগরীয় দেশগুলো: ইরানি হামলার ভিডিও শেয়ারে ধরপাকড়

উপসাগরীয় দেশগুলোতে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং কুয়েতসহ বেশ কিছু দেশ এ ধরনের কন্টেন্ট প্রচারের দায়ে শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। এসব দেশের সরকারের দাবি, এ ধরনের ভিডিও প্রচার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।

সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা ইরানি হামলাকে সমর্থন করে বা এগুলোকে ‘মহিমান্বিত’ করে পোস্ট দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কুয়েতেও ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরির অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর এমন কঠোর নজরদারি এবং গণগ্রেপ্তারের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে রাষ্ট্রগুলো তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলছে, অন্যদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই কড়াকড়ি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় ঘরে ঢুকে একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম, আটক ১

জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে কঠোর উপসাগরীয় দেশগুলো: ইরানি হামলার ভিডিও শেয়ারে ধরপাকড়

আপডেট সময় : ১১:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

উপসাগরীয় দেশগুলোতে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং কুয়েতসহ বেশ কিছু দেশ এ ধরনের কন্টেন্ট প্রচারের দায়ে শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। এসব দেশের সরকারের দাবি, এ ধরনের ভিডিও প্রচার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।

সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা ইরানি হামলাকে সমর্থন করে বা এগুলোকে ‘মহিমান্বিত’ করে পোস্ট দিচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কুয়েতেও ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরির অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো এবং রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর এমন কঠোর নজরদারি এবং গণগ্রেপ্তারের ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে রাষ্ট্রগুলো তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলছে, অন্যদিকে মানবাধিকার সংস্থাগুলো মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই কড়াকড়ি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।