ভোজ্যতেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে দেশে সূর্যমুখী চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে। স্বল্প খরচ ও অধিক লাভের নিশ্চয়তা থাকায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে এই তেলজাতীয় শস্য চাষের জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় এখন বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় কৃষকরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে সূর্যমুখী চাষ করছেন। কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, বিশেষ করে ‘হাইসান-৩৬’ জাতের সূর্যমুখী চাষে ফলন অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে কৃষকরা খুব সহজেই লাভবান হতে পারছেন। অন্যদিকে ভোলার তজুমদ্দিনেও পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখীর চাষ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন স্থানীয় চাষিরা।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যমুখী কেবল একটি লাভজনক ফসলই নয়, এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। বর্তমানে চাহিদার একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, যা সূর্যমুখী চাষের মাধ্যমে কমিয়ে আনা সম্ভব। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে যথাযথ সহযোগিতা প্রদান করা হলে এই খাতটি জাতীয় অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 

























