ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় কৃষি জমিতে ৭টি ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয়করণ: আতঙ্কিত এলাকাবাসী

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা স্কুলপাড়া এলাকার একটি ভুট্টার জমিতে পাওয়া সাতটি ল্যান্ডমাইন (বোমা) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে। শনিবার সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই বোমা নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম দুপুর দেড়টায় শেষ হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই স্থানে কৃষিজমিতে ল্যান্ডমাইনগুলো প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল।

যশোর সেনানিবাস থেকে আসা ৫৫ রেজিমেন্টের ১৫ সদস্যের একটি বোম ডিসপোজাল টিম, যা ক্যাপ্টেন মো. সেলিম ও ক্যাপ্টেন মো. রিফাতের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। প্রথমে চারটি এবং পরে আরও তিনটি ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয় করা হয়। এই নিষ্ক্রিয়করণ প্রক্রিয়ার সময় বিকট শব্দে আশেপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে এবং ল্যান্ডমাইনগুলোতে থাকা বারুদের ছাই ও ধুলাবালি পুরো মাঠে ছড়িয়ে পড়ে।

ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম চলাকালীন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান, সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মিজানুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল। এই ঘটনাটি কৃষি জমিতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং দ্রুত এর উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় বিআরটিসি বাসের চাপায় শিক্ষকের মর্মান্তিক মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গায় কৃষি জমিতে ৭টি ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয়করণ: আতঙ্কিত এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা স্কুলপাড়া এলাকার একটি ভুট্টার জমিতে পাওয়া সাতটি ল্যান্ডমাইন (বোমা) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে। শনিবার সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই বোমা নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম দুপুর দেড়টায় শেষ হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই স্থানে কৃষিজমিতে ল্যান্ডমাইনগুলো প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল।

যশোর সেনানিবাস থেকে আসা ৫৫ রেজিমেন্টের ১৫ সদস্যের একটি বোম ডিসপোজাল টিম, যা ক্যাপ্টেন মো. সেলিম ও ক্যাপ্টেন মো. রিফাতের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। প্রথমে চারটি এবং পরে আরও তিনটি ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয় করা হয়। এই নিষ্ক্রিয়করণ প্রক্রিয়ার সময় বিকট শব্দে আশেপাশের এলাকা কেঁপে ওঠে এবং ল্যান্ডমাইনগুলোতে থাকা বারুদের ছাই ও ধুলাবালি পুরো মাঠে ছড়িয়ে পড়ে।

ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয়করণ কার্যক্রম চলাকালীন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোস্তাফিজুর রহমান, সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মিজানুর রহমান, ফায়ার সার্ভিস এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল। এই ঘটনাটি কৃষি জমিতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং দ্রুত এর উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।