জামালপুরের মেলান্দহে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেলে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চরগোবিন্দী বাজারে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল্লাহ, বিএনপি কর্মী জাকির হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আলতাফুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের ভাই মো. বেলাল, ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মো. সোলায়মান এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য হাজী আবদুস সাত্তার। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কয়েকজনের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তৈয়বুর রহমান মাস্টার ও বিএনপি নেতা রুনু তালুকদারের অনুসারীদের মধ্যে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। মঙ্গলবার বিকেলে রুনু তালুকদারের সমর্থকদের গণসংযোগ ও মিছিল শেষে চরগোবিন্দী বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বিকেলে দুই পক্ষ আবার মুখোমুখি হলে সংঘর্ষ বাধে।
এ বিষয়ে মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তৈয়বুর রহমান মাস্টার বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি। মঙ্গলবার রাতেই ঘটনার শুরু হয়। রুনু তালুকদারসহ তাদের লোকজন সেখানে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেছে। আজও তারা হট্টগোল শুরু করেছে বলে খবর পেয়েছি। আমি দলের নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছি এবং পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি, যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রশিদ বাবুল মোবাইল ফোনে বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে মিছিল শেষে রুনু তালুকদারের সমর্থকেরা চরগোবিন্দী এলাকায় ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিল্লুরের বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে অন্য পক্ষের সমর্থক যুবদল নেতা রাজ্জাকসহ কয়েকজনকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ও উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন। একপর্যায়ে ‘ধর ধর’ বলে চিৎকার করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বুধবার এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে গেলে আবারও সংঘর্ষ হয়।
রিপোর্টারের নাম 




















