ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে ডেভিড ইমনসহ তিন সহযোগী গ্রেপ্তার, জেলা পুলিশের হেফাজতে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামে আনা হয়েছে। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া তিন সহযোগী আলিস তমাল, শাফায়াত ও শামীমকেও একই সঙ্গে আনা হয়। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, যশোর থেকে পৃথক গাড়িতে জেলা পুলিশের একাধিক দল তাদের চট্টগ্রামে নিয়ে আসে। এরপর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে এবং তার তিন সহযোগীকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. জুনায়েত কাউছার বুধবার রাতে বলেন, তারা এখন জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সেটি বলা যাচ্ছে না। এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোরের ঝুমঝুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সদস্যরাও অংশ নেন। ওই সময় ডেভিড ইমনসহ চারজনকে আটক করে পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পুলিশের ভাষ্য, সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরের এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করে ফোন করার অভিযোগ ওঠার পর ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা বাড়ানো হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ডেভিড ইমন বর্তমানে বাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা বা সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করছিলেন। অন্যদিকে, একই রাতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের রংমারা এলাকায় পৃথক অভিযানে সাজ্জাদ বাহিনীর আরেক শীর্ষ নেতা ও কিলিং স্কোয়াডপ্রধান হিসেবে পরিচিত রায়হান আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে পুলিশ। তবে অভিযানের সময় তিনি একটি ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, রায়হান আলমকে খুব কাছাকাছি গিয়েও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে তার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশের নজরদারি রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাবিতে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ: মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিয়ে উদ্বেগ

চট্টগ্রামে ডেভিড ইমনসহ তিন সহযোগী গ্রেপ্তার, জেলা পুলিশের হেফাজতে

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রামে আনা হয়েছে। তার সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া তিন সহযোগী আলিস তমাল, শাফায়াত ও শামীমকেও একই সঙ্গে আনা হয়। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, যশোর থেকে পৃথক গাড়িতে জেলা পুলিশের একাধিক দল তাদের চট্টগ্রামে নিয়ে আসে। এরপর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে এবং তার তিন সহযোগীকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. জুনায়েত কাউছার বুধবার রাতে বলেন, তারা এখন জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সেটি বলা যাচ্ছে না। এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোরের ঝুমঝুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সদস্যরাও অংশ নেন। ওই সময় ডেভিড ইমনসহ চারজনকে আটক করে পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পুলিশের ভাষ্য, সম্প্রতি চট্টগ্রাম নগরের এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করে ফোন করার অভিযোগ ওঠার পর ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা বাড়ানো হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ডেভিড ইমন বর্তমানে বাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা বা সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করছিলেন। অন্যদিকে, একই রাতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের রংমারা এলাকায় পৃথক অভিযানে সাজ্জাদ বাহিনীর আরেক শীর্ষ নেতা ও কিলিং স্কোয়াডপ্রধান হিসেবে পরিচিত রায়হান আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে পুলিশ। তবে অভিযানের সময় তিনি একটি ভবনের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, রায়হান আলমকে খুব কাছাকাছি গিয়েও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে তার অবস্থান সম্পর্কে পুলিশের নজরদারি রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।