ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নেপালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি গ্রেপ্তার: দুর্নীতির তদন্ত শুরু

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে শনিবার (২৮ মার্চ) ভোরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে দেশটিতে জেন-জির নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তার কোনো দায় আছে কিনা, তা তদন্তের অংশ হিসেবে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নেপালে গত ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুর্নীতিবিরোধী যুব আন্দোলনে অন্তত ৭৭ জন নিহত হন। যদিও স্বল্প সময়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদ থেকে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, এর পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অসন্তোষ। বিক্ষোভের প্রথম দিনেই দমন-পীড়নে অন্তত ১৯ জন তরুণ প্রাণ হারান।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কে পি শর্মা ওলি’র নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ব্যাপক জেন-জি বিক্ষোভ হয়েছিল। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ওলি বিক্ষোভ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন রমেশ লেখক।

জনগণের ব্যাপক বিক্ষোভ সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন। তার আগেই অবশ্য রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছিলেন। ওলির পদত্যাগের পর সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সেই সরকারের অধীনে জনবিক্ষোভ ও অভ্যুত্থান তদন্তের জন্য সাবেক বিশেষ বিচারপতি গৌরী বাহাদুর কার্কিকে প্রধান করে একটি কমিশনও গঠন করা হয়েছিল। এই কমিশনের তদন্তের সূত্র ধরেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

নেপালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি গ্রেপ্তার: দুর্নীতির তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ১০:২৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে শনিবার (২৮ মার্চ) ভোরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে দেশটিতে জেন-জির নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তার কোনো দায় আছে কিনা, তা তদন্তের অংশ হিসেবে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নেপালে গত ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুর্নীতিবিরোধী যুব আন্দোলনে অন্তত ৭৭ জন নিহত হন। যদিও স্বল্প সময়ের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদ থেকে এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, এর পেছনে ছিল দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অসন্তোষ। বিক্ষোভের প্রথম দিনেই দমন-পীড়নে অন্তত ১৯ জন তরুণ প্রাণ হারান।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কে পি শর্মা ওলি’র নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ব্যাপক জেন-জি বিক্ষোভ হয়েছিল। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ওলি বিক্ষোভ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন রমেশ লেখক।

জনগণের ব্যাপক বিক্ষোভ সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন। তার আগেই অবশ্য রমেশ লেখক পদত্যাগ করেছিলেন। ওলির পদত্যাগের পর সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সেই সরকারের অধীনে জনবিক্ষোভ ও অভ্যুত্থান তদন্তের জন্য সাবেক বিশেষ বিচারপতি গৌরী বাহাদুর কার্কিকে প্রধান করে একটি কমিশনও গঠন করা হয়েছিল। এই কমিশনের তদন্তের সূত্র ধরেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।