ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো

নীলফামারী জেলার ডোমার ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া এই শিলাবৃষ্টিতে সাময়িক দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিলাবৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের ভুট্টা, মরিচ, আলু ও ধানক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক স্থানে জমির ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। ঝোড়ো বাতাসসহ শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় বহু বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। রাতের অন্ধকারে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা এবং ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেকে বিপাকে পড়েন। শুধু বসতবাড়িই নয়, জেলার বিভিন্ন স্থানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি পূজামণ্ডপও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে এত তীব্র শিলাবৃষ্টি তারা দেখেননি। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা হতভম্ব হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে এখনো সরকারি কোনো দপ্তর থেকে ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর রহমান জানিয়েছেন, মাঠ পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ২ জুলাই, থাকছে না নীরব বহিষ্কার

নীলফামারীতে আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো

আপডেট সময় : ১০:২২:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নীলফামারী জেলার ডোমার ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া এই শিলাবৃষ্টিতে সাময়িক দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিলাবৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের ভুট্টা, মরিচ, আলু ও ধানক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক স্থানে জমির ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। ঝোড়ো বাতাসসহ শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় বহু বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। রাতের অন্ধকারে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা এবং ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেকে বিপাকে পড়েন। শুধু বসতবাড়িই নয়, জেলার বিভিন্ন স্থানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি পূজামণ্ডপও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে এত তীব্র শিলাবৃষ্টি তারা দেখেননি। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা হতভম্ব হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে এখনো সরকারি কোনো দপ্তর থেকে ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মঞ্জুর রহমান জানিয়েছেন, মাঠ পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের চেষ্টা চলছে।