দেশের প্রান্তিক ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে এবং ঝরে পড়া রোধে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক থেকে শুরু করে স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত সব স্তরের সরকারি শিক্ষাবৃত্তির হার দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ‘মেধা’ ও ‘সাধারণ’ উভয় ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীরা আগের চেয়ে দ্বিগুণ হারে মাসিক বৃত্তি ও এককালীন বার্ষিক অনুদান পাবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সবশেষ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শিক্ষাবৃত্তির হার নির্ধারণ করা হয়েছিল। দীর্ঘ এক দশক পর শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বিশেষ নির্দেশনায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারের বাৎসরিক ব্যয় ১৮৪ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ৩৬৮ কোটি ১৬ লাখ টাকায় দাঁড়াবে। অর্থ বিভাগের বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে দ্রুতই এই বর্ধিত হার কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরে মেধাবৃত্তির হার মাসিক ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তি ২২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫০ টাকা করা হচ্ছে। একইভাবে জুনিয়র স্তরে (জেএসসি) মেধাবৃত্তি ৯০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তি ৬০০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। মাধ্যমিক (এসএসসি) পর্যায়েও মেধাবৃত্তির হার মাসিক ১ হাজার ২০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তি ৭০০ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ আরও সুগম করবে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
রিপোর্টারের নাম 




















