ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সরাসরি যুদ্ধে নামার হুঁশিয়ারি, হুথিদের ‘ট্রিগারে আঙুল’

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি ঘোষণা করেছেন যে নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের আঙুল সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের ট্রিগারে রয়েছে।’

ইয়াহইয়া সারি পাঁচটি শর্ত উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ইরান ও লেবাননসহ ‘প্রতিরোধ অক্ষভুক্ত’ দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এই আগ্রাসনকে ‘অন্যায়, দমনমূলক এবং অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেন, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে তিনি মনে করেন।

দ্বিতীয়ত, তিনি ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরাক ও ইরানে আগ্রাসন বন্ধ এবং ইয়েমেনের ওপর আরোপিত অন্যায় অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানান। তৃতীয়ত, তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।

সারি আরও জানান, নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলির যেকোনো একটি ঘটলে হুথিরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিতে পারে: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পক্ষে নতুন কোনো দেশ যুদ্ধে যুক্ত হলে; লোহিত সাগর (রেড সি) ব্যবহার করে ইরান বা অন্য কোনো মুসলিম দেশে হামলা চালানো হলে; অথবা ইরান ও ‘প্রতিরোধ অক্ষের’ বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হলে। সবশেষে, তিনি ইয়েমেনের জনগণের ওপর অবরোধ আরও কঠোর করার লক্ষ্যে যেকোনো অন্যায় পদক্ষেপের বিরুদ্ধেও সতর্কবার্তা দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

সরাসরি যুদ্ধে নামার হুঁশিয়ারি, হুথিদের ‘ট্রিগারে আঙুল’

আপডেট সময় : ০৪:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি ঘোষণা করেছেন যে নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের আঙুল সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের ট্রিগারে রয়েছে।’

ইয়াহইয়া সারি পাঁচটি শর্ত উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ইরান ও লেবাননসহ ‘প্রতিরোধ অক্ষভুক্ত’ দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এই আগ্রাসনকে ‘অন্যায়, দমনমূলক এবং অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেন, যা বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে তিনি মনে করেন।

দ্বিতীয়ত, তিনি ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরাক ও ইরানে আগ্রাসন বন্ধ এবং ইয়েমেনের ওপর আরোপিত অন্যায় অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবি জানান। তৃতীয়ত, তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।

সারি আরও জানান, নিম্নলিখিত পরিস্থিতিগুলির যেকোনো একটি ঘটলে হুথিরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিতে পারে: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পক্ষে নতুন কোনো দেশ যুদ্ধে যুক্ত হলে; লোহিত সাগর (রেড সি) ব্যবহার করে ইরান বা অন্য কোনো মুসলিম দেশে হামলা চালানো হলে; অথবা ইরান ও ‘প্রতিরোধ অক্ষের’ বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হলে। সবশেষে, তিনি ইয়েমেনের জনগণের ওপর অবরোধ আরও কঠোর করার লক্ষ্যে যেকোনো অন্যায় পদক্ষেপের বিরুদ্ধেও সতর্কবার্তা দেন।