ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ: ইসরাইলকে কঠিন পরিণতির হুঁশিয়ারি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইসরাইলের বিরুদ্ধে দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এই ধরনের ‘অপরাধমূলক’ কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরাইলকে ‘কঠিন মূল্য’ দিতে হবে। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ (পূর্বের টুইটার) এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ইসরাইলি বাহিনী ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে ইউরেনিয়াম উৎপাদন কেন্দ্র এবং একটি ভারী পানির চুল্লি উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে যে ইসফাহানে দুটি ইস্পাত কারখানাতেও হামলা হয়েছে।

আরাগচি তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে ইসরাইল দাবি করছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই হামলা চালিয়েছে। তবে, তিনি প্রশ্ন তোলেন যে এটি ইরানের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সময়সীমা বাড়ানোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি আরও জানান যে এই ‘অপরাধের’ সমুচিত জবাব ইরান দেবে এবং এর জন্য ইসরাইলকে কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

এই হামলার ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার সিদ্ধান্ত কিছুটা বিলম্বিত করতে পারে।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী ইরান ও ওমানের মধ্যকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির পর থেকে এই রুটে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রতিশোধ: ইসরাইলকে কঠিন পরিণতির হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৩:১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইসরাইলের বিরুদ্ধে দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, এই ধরনের ‘অপরাধমূলক’ কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরাইলকে ‘কঠিন মূল্য’ দিতে হবে। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ (পূর্বের টুইটার) এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার ইসরাইলি বাহিনী ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। এর মধ্যে ইউরেনিয়াম উৎপাদন কেন্দ্র এবং একটি ভারী পানির চুল্লি উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে যে ইসফাহানে দুটি ইস্পাত কারখানাতেও হামলা হয়েছে।

আরাগচি তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে ইসরাইল দাবি করছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই হামলা চালিয়েছে। তবে, তিনি প্রশ্ন তোলেন যে এটি ইরানের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সময়সীমা বাড়ানোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি আরও জানান যে এই ‘অপরাধের’ সমুচিত জবাব ইরান দেবে এবং এর জন্য ইসরাইলকে কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

এই হামলার ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে ইরান যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার সিদ্ধান্ত কিছুটা বিলম্বিত করতে পারে।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী ইরান ও ওমানের মধ্যকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির পর থেকে এই রুটে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।