মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে ওসমানীনগর উপজেলায় সরকারি গেজেটভুক্ত দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বিরোধী রাজনৈতিক জোটের প্রতিনিধিদের পরিকল্পিতভাবে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রশাসন কর্তৃক একটি সর্বজনীন জাতীয় দিবসকে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ারে পরিণত করার সমালোচনা ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। তবে, অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের উপস্থিতি থাকলেও, প্রধান বিরোধী দলসহ শরিক জোটের কোনো প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এই বাছাইকৃত আমন্ত্রণকে স্থানীয়ভাবে ক্ষমতাসীন দল ও সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া এবং সরকারি গেজেটভুক্ত দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা, এনামুল হক ও ইব্রাহিম আহমদকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়ে। তাদের অভিযোগ, পূর্ববর্তী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করলেও বর্তমান ইউএনও যোগদানের পর থেকে প্রায় সকল সরকারি অনুষ্ঠানেই তাদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তারা বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করলেও এখনো বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে জানান। অনুষ্ঠানে উপজেলার মাত্র তিনজন মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে অনেক জীবিত মুক্তিযোদ্ধা থাকা সত্ত্বেও তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
১০ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপির) উপজেলা শাখার সদস্য সচিবও এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি সর্বজনীন জাতীয় দিবসকে সংকীর্ণ দলীয় বলয়ে আবদ্ধ করে ফেলা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
রিপোর্টারের নাম 

























